কবিতার বই:ব্রাত্য মনের মানুষ


Screenshot_2017-07-17-20-43-41.png

বইটা পিডিএফ ফরম্যাটে ডাউনলোড করুন↓

প্লাস্টিক

সবুজের সমারোহতে প্লাস্টিক চাষ

ফুলস্টপ মেরে দেবো জনতার গায়ে

ব্যাংকের টঙ্কা করে দেবো ফাঁকা

কখনো বা পিপুলস এর গোয়া মেরে

নাটক মঞ্চায়ন করে,রেসমা টু মর্জিনা

অথবা বিভিন্ন ইস্যু চার পায়ে খাড়া হয়

ব্যাংকে কেউ যাবেনা গোয়া মারা খাবেনা।

পৃথিবীর মাটি তুমি ফাঁকা হয়ে যাও অথবা তৈরী করে দাও গোপন গুহা

আমি তন্মধ্যে গুহা যুগের ন্যায় অর্থ রাখি,

অথবা বন্দি কোন অক্সিজেন হীন সিন্দুকে যা ভাবে ভাবুক নিন্দুকে-

ওহ্ ভুলে যাই কেন-বিজ্ঞানের মায়রে বাপ আগুন তো লেগে যেতে পারে অক্সিজেনহীন সিন্দুকে।

তাহলে আমার অর্থ কোথায় রাখি?

পৃথিবীর কোন এক ফাঁকা জায়গায় রাখো যেখানে বস্তিবাসীর বাস

যাতে গরীবরা খেতে পারে শুয়োরের বাচ্চা দুর্নীতি বাজ ম্যানেজারদের ভাগ না দিয়ে ওরা চিবুক কচু ঘাস ।

 

 

 

কৃষ্ণ মেয়েগণ

 

মেয়েটি কালো বলে আমরা তাকে নিয়ে আড়ালে আবডালে

কিংবা প্রকাশ্যে শ্লেষ মাখা কন্ঠে হেলা করি

স্বজন বলে রেজাল্ট খারাপ হলে

কালা মাইয়া বাজান জোটবে কপালে;

কিংবা বিয়ে করতে গেলে পাঁচলাখ টাকা উপর্যুপরি দাবী করি|

বিয়ের পরে ঘরে এনে উত্তম মধ্যম চারবেলা প্যারাসিটামল এর ন্যায় সেবন করাই

ফাক ফাক ফাক আমি হচ্ছি অবাক খাড়া লেওড়া নিয়া কেমনে আবার তার সামনে দাঁড়াই?

আছে বড় ল্যাওড়া সমানে ঢুলায়ে

বাতি নিভাইলে ন-থাহে কালা শাদা

একই জিনিস সবে আদী-তে মাটি কাদা।

 

 

 

 

 

 

 

একাকী কান্না

 

যখন নিজেকে একা মনে কর

কিংবা কাউকে হারিয়ে ফেলো,

পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখো

প্রতিটা কোনায় কোনায় তাকাও-

কি সান্ত্বনা দেওয়ার মত কাউকে কি পাচ্ছ?

না পাবে না;পৃথিবীতে কষ্ট লাঘবের মত কেউ নেই-

একবুক কষ্ট নিয়ে যখন ডুকরে ডুকরে তুমি কাঁদবে

জল গড়িয়ে পরে যখন ভিজে যাবে বালিশ

কিংবা কাঁদতে কাঁদতে গলা বসে যাবে-

না কেউ সেই জল মুছতে যাবে না কিংবা হাফ কাপ আঁদা চা এগিয়ে দিয়ে

বলবেনা “নে খা গলাটা বসে গেছে তোর”

হাত বাড়ালেই যাদের পেতে হাসতে খেলতে যাদের সাথে

না তাদেরও দুঃখের সময় পাশে পাবেনা

হয় তাঁরা দূরে চলে যাবে না হয় হারিয়ে যাবে প্রকৃতির ভাজে

তাহলে কি করবে তুমি?

কাঁদতে কাঁদতে জীবনটা যখন দুর্বিষহ হয়ে পরবে,

কিংবা একগাদা কষ্টে মুষড়ে যাবে তুমি,

উঠে দাঁড়াও তবে আর কাঁদতে হবে না তোমায়,

ঈশ্বরের দিকে ফিরে তোমার অভিযোগ জানাও।

নালিশে নালিশে তবে বায়না ধর,

ঈশ্বর আমার কান্নাগুলো তুমি শত্রুপক্ষের চোখে দাও

যাতে তা দেখে আমি খলখলিয়ে হাসতে পারি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

স্যরি

 

হিয়া বরাবর এক কোপে উঁকি দেয়া তোমার কল্লা কাটিয়া নিলো , এক নব জল্লাদ;

আব্বা তাহাকে আমার বউ রূপে প্রেরণ করিয়াছেন

সে চায়-আমার মাঝে, তোমার ন-রহিবে অস্তিস্ত

তাজা চিৎকার-ফানাফিৎকার কিম্বা আমার ঠোঁটে তোমার চুমো অঙ্কিত!

আমার অধরে সেই অঙ্কিত তোমার সকল চুমোকে সে মুছে দিতে চায়

তাই শত শত চুমুতে আমার অধর কে সে ক্যাটবেরি চকোলেট এর মত চুষে খায়!

সিনেজোঁক এর মত চুষে খায়!

এত চুষুনিতে স্যরি তোমাকে আর ধরে রাখতে পারলামনা!

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পিনিকে তো আছি পৃথিবী

 

 

পিনিকে তো আছি পৃথিবী

সামনের সমান রাস্তাটা উঁচা নিচা ঢিপি ঢিপি লাগে

খেয়েছি বেশি নয় কয়েক ছিপি

২ছিপিতেই হাটুতে হাটুতে কাঁপি

গগণের বউ টান দিয়া গান ধরে

পৃথিবী আমারে তুমি নিয়া যাও

যদি না নিতে পারো তবে দাও কিছু আরো

যাতে গেলাশে গেলাশে খাইতাম পারি এই পঁচা অমৃত-

যদি না নিতে পারো তবে রবীদারে সুর চুরির আরো তৌফিক দাও।

গলায় দেওনের লগে লগে পঁচা অমৃত

সারাটা গা হাত পা শিরার পশম অয় শিহরিত-

পঁচা অমৃত খাবো গেলাশে গেলাশে

খেয়েদেয়ে মাল হব আজি টাল কে বলে মাল খেয়ে আমি বিছানায় মুতি?

যদি না মুতি তবে রবীদার গান শুনি ভেবে নিও-

পিনিকে তো আছি পৃথিবী;

তার হোগাটা মেরে দেবো কিংবা এক বাডি পঁচা মদ গলা দিয়ে ঢালবো –

যাতে খোর হয়ে “ও” বিছনায় মোতে।

উরুষ্ঠুঙ্গা গাঁঞ্জার গন্ধে এলাকা রমরমা

ক্ষেমিয়া তো দিলাম আইজকা –

হেতু গাঁঞ্জা তো খাইছেন সাঈজি,

পিনিকে তো আছি পৃথিবী!

লুঙ্গীর তলে সঙ্গী খুঁজে পায় যে বাউল

বাউলের ছাওয়াল গাঁঞ্জায় মাতাল

গাঁঞ্জা টেনে নাম দেয় গাঞ্জা টেনেছেন সাঈজি

পিনিকে তো আছি পৃথিবী।

গগণ হরকরার গানের সুরে বরীদার হাত,

সুরে সাঈজির ছোয়া উজান গাঙ পদ্মার মাঝি

রবীদা সুরচোর খাজনা চুরি জমিদারি

পিনিকে তো আছি পৃথিবী।

কোথায় গেলো গানের খাতা সোনার বাংলায় গগণ হরকারার হইলো যে ইতি-

পিনিকে তো আছি পৃথিবী।

 

 

 

 

 

 

 

 

কাগুজে মেয়ে

 

 

একটা মেয়ে ছিলো কাগুজে রংয়ের অবয়ব

আর দারুন দুষ্টু চোখে তাকিয়ে আমায় ইশারায় ডাকতো

একদিন চোখের চাহনিতে হয়ে গেলো লেনদেন

নদীর পারের কাশ ফুল দেখি ;তাকে নিয়ে গুনি আকাশের তারা

আর ভাবি -তারারা জড়িয়ে আছে একে অপরের গায়ে চাঁদ মামা শুধু সঙ্গী ছাড়া।

আমার কাঁধে মাথা রেখে সেই আমার রক্ত জবা শুধু মন থেকে প্রেম নিবেদন করেছিলো

আমি হাটু ফাঁক করে প্রেম নিবেদন করি তাতে সে উবে গেলো

রাতের দাবাত দিই সে-শোনে না।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কবিদের কাঁদতে নেই

আমাকে তো একদা বলে ছিলে-

কবিদের কাঁদতে নেই কবিতা লিখার ছলে

তাহলে তুমি কাঁদছো কেন মালিহা?

আমি তো আর পারিনে

যখন পু্রোনো ছবির ফ্রেমে তোমায় ববিতার সাজে সাজতে দেখি

কসম খোদার আমি কাঁদতে থাকি

জর ছবিও কাঁদাতে জানে

এক গাদা কান্না আটলান্টিকে ভাসিয়ে নেয় আমায়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কবি কেমনে পারো?

(নজরুলের প্রতি)

ইর্ষা করি আমি তোমারে কবি

কেমনে এমন পারো?

কবিতার একেকটা পঙক্তি

যেন একেকটা বুলেট

ছ্যাদা করে দেয় সরকার পক্ষের খুলি।

এমন প্রেম ফুটে ওঠে কমলার উদরে

বিষের বাঁশি হয়ে ওঠে প্রেমের বীণা

কবি তুমি থেমে আছ মসজিদের পাশের ও কবরে-

থেমে নেই তোমার পঙক্তি মালা;বিদ্রোহী প্রেমিকের মুখে ফোটে বুলি।

 

শত শত কবিরে দেখি তোমার দুয়ারে পঙক্তি মালা ভিক্ষে মাঙে

কবি ফিরিয়ে দিও না ভিক্ষে না দিয়ে কবি দিগকে কিছু ছন্দ ভিক্ষে দাও।

আল্লার তরে দোয়া মাঙি কবি

তোমার একেকটা ছন্দের বদৌলতে

তিনি ক্ষমা করুক তোমারে।

 

 

 

 

ব্রাত্য

 

হিসেবটা দেবো আবার কাকে?

কে আমার থেকে বড় এই গাড়ি বাড়ির শহরে?

মোস্তান ডরাই নাকি? ডরাই নাকি কারো ছুরি চাপাতি?

ডরাই ডরাই নাকি কাউরে?

এই শহরের অলিতে গলিতে মোস্তান তো অহরহ পয়দা হয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কে তোমাকে গালি দেয়?

(আল মাহমুদ এর প্রতি)

আমার কাছে বলনা একবার কে তোমাকে গালি দেয়?

কে তোমার চৌদ্দ পুরুষ উদ্ধার করে উপর তলার ফয়দা নেয়?

জিহ্বা টেনে ছিড়ে নেবো তার আলজিহ্বায় ঢালবো গরম শীষা

হাত পায়ে তার উত্তপ্ত শেকল পরাবো পাইবেনা আর দিশা!

কন্ঠ নালি চেপে জিজ্ঞেস করব হায়রে চুদির ভাই

বাংলা কবিতা যখন গোয়া মারা খায় দুয়ারে কোথায় ছিলি তুই?

এই সেই কবি যিনি ধান ক্ষেত হইতে প্রেমকে চাগার করায়েছেন প্রেমিক যুগলের মনে

সেই কবিরে গালি কি করে দিস বদনাম কচ্ছিস জনে জনে?

আসিয়াছে নব দিন নব দিন দুন্নাই কবি তুমি তো তা জানো

চামচিকে দল জোট বেঁধেছে কান দিয়া কিচিরমিচির শোন

নব দুন্নাই নব কবিগণ নব উদ্যোমে তারা তো তোমার বদনাম করেনা

বদনাম তো করে পিছনে তাকাইয়া দ্যাখো আলোচনারত চামচিকের ছানা।

 

 

 

 

 

 

 

পোয়েটার

পোরেছে ফজরের আজান আমি নামাজে না গিয়ে

আমি ঘরে শুয়ে বোসে পোয়েট লিখি

এমন সোময় কল্পনা করি;আজরাঈল এসে পাশে বোসে ডাকছে আমায়;ক্যামন আছিস দুরাত্মা?

চল চল দুনিয়াভি তোরে কেউ পুছেনা ;ঢের কবি আছে পোরে খোয়ারে খোয়ারে

সিজ্জিনে রূহ দিবো ঢুকায়ে দেখি পোয়েট বার হয় কোই থেইক্কা।

ওগো মালাকুল মউত ক্ষ্যামা দেন না

জান কবজের কি আর সোময় পাননা?

আরো কিছু বাকি আছে লেখার আমার

দেশে নাপ্তে-চামাড় তো বাড়িয়াই চলছে

শত ত্রিশ কুটি মেরে জনতার সুবিধের কথা বোলছে

এগো মুখোশের বারোটা বাজাতে পোয়েট বৈ কি ক্ষমতা আছেনি আমার?

খোদাতালা হিসেব তো নিবেন পরকালে পরবাসে

ততদিন আমি কি কোরবো? বোসে থাকবো? বলুন বোসে থাকি কি কোরে?

হাত পা গুটিয়ে বোসে থাকলেও তিনি চটিবেন বেশ এই পোয়েটারের উপরে।

তাহোলে কি করব?

হ্যাঁ পোয়েট তো লিখে লিখে গোলা বারুদের মতো

উড়িয়ে তো দেবো বামরাম শয়তান আছে যতো

উড়িয়ে তো দেবো মদের আড্ডা,জুয়ারির জুয়ার টেবিল

সুদখোর ঘুষখোরের পেটে কোরে দেবো ক্ষত।

আর কিছু আমাকে লিখতে তো দেন

প্লিজ লাগে জান নিতে পরে আইসেন যান।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

একশ ত্রিশ কুটি ইউএসডি আর একজন বেকার

আমার কবিতা ক্রমশ তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকবে

সুতরাং,বেসতীরা সাবধান!আমি কুতুব চুদিনা জেনে রেখো-

আমার মগজে অাগ্নেয়গীরীর আগুন খেলে,

আমার বাংলায় বিন শমসের ফকিরনি জন্মাইছে

প্যালেসে থাইকা যিনি গরীব কে ভাবছেন চুদির ছেলে।

অতএব একশ ত্রিশ কুটি ইউএসডির গভীরতা আমারে দেখাইলে

কবিতা লিখে গোনাগোষ্ঠির একহাত দেখে নেবো!

আমি চলতে পারিনা হাতে টাকার অভাব

বেকার আছি বসে- তাই চোরের স্বভাব

দিন দিন আমার উগ্রতা চলছে বেড়ে

বাপ মা গালি দেন কথায় কথায় আসেন তেড়ে।

আমি বেকার আছি চেয়ে দেখ যত আন্ধা শালা

সরকার কথা শুনো মোর কানে মেরনা তালা

যদি মারো তালা ওগো প্রিয় সরকার

তবে বলে রাখি বঙ্গভবনে পরমাণু মেরে করে দেবো ছাড়খার।

 

ওগো সরকার -জনতার মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমি আজ,

সকল বেকার যু্বকের হয়ে পেতেছি দু’হাত

যদি ফিরিয়ে দাও আজ এ হাত আমার

তবে বলে রাখি সকল বেকার মিলে

উষ্ঠা দেব তোমায় গদি কেড়ে নেবো তোমার।

ওগো মহামতি সরকার আমি বেকার বসে কাঁদছি ঘরে,

তোমার পাচাটা বিশ্বসেরা ধনী হয়েছেন আমার হোগা মেরে।

ওগো সরকার আমি চা খাইতে পারিনাই টাকার অভাবে,

তোমার পাচাটা ম্যাকডোনাল্ডে কফি সাটিয়েছে

আমার একশ ত্রিশ কুটি মার্কিন টাকা পকেট ভরে ।

আমি একশ ত্রিশ কুটি টাকার হিসাব চাই,

কেমন করে এই হত দরিদ্রের দ্যাশে মুখের খাওন ছিনায়ে নিয়ে

তিনি বিশ্বসেরা ধন কুবের হইলেন আমি পাইস টু পাইস হিসাব চাই।

যদি বলেন হিসাবের খাতা হারায়ে ফেলেছি তবে আমি ভেবে নেবো

দেশের বেবাক পিপলের হোগা মেরে আপনে আজ মহামারী মহাজন সেজে

এনজিও ঢুকায়ে সুদ খাইতাছেন তাড়ায়ে তাড়ায়ে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কষ্টের রং গাঢ় নীল

 

মনের মেঘ কবিতায় ক্রমশ কঠিন হতে হতে বজ্রপাত হচ্ছে-

সহিংসতাবিরোধী আমি এই ক্রমশ এগুচ্ছি সহিংসতার দিকে

হয়ে যাবে এক কুরুক্ষেত্র আমি রাগন্বিত আছি।

মেঘ যখন হয়েছিলো তখন বজ্রপাত তো হবেই

বজ্রপাতে তুমি জ্বলে পুড়ে মরবে,এটা হওয়ারই ছিলো নীতিবিরোধী মন।

আজ আকাশের মন খারাপ নীল গাড়ো হতে হতে শেষ পর্যায়ে-

আকাশ তো কেঁদে দিবে, কাঁদলে মন নাকি হালকা হয় বেশ-

এক পশলা বৃষ্টি হলেই আকাশের মন খারাপের দিন শেষ।

আর আমি?

আমি তো আমার কষ্টের কথা ভেবে কেঁদেই ফেলেছি;

অকা কেউ নেই জল মোছার!

পৃথিবীটা স্বার্থপর ;স্বার্থপর পৃথিবীর সকল সৃষ্টি সকলেই নীতিগতভাবে পথভ্রষ্টা,

একমাত্র নীতিবিরোধী স্বার্থপর নয় পৃথিবীর স্রষ্টা;

তবে কেউ করলে আঘাত স্রষ্টার মন খারাপ হয় কি-না আমি জানিনা

স্রষ্টা কারো আঘাতে কাঁদেন কি-না

তবে আমি জানি,স্রষ্টার কাঁদা -না কাঁদা তাঁর প্রথাবিরোধী

তিনি মানুষের কষ্ট উপলব্দি করতে পারেন তাই তাঁর কষ্ট নেই

তার কষ্টের শুরুও ছিলোনা ছিলোনা ইতি-

কষ্ট একমাত্র মানুষেরই থাকতে হবে মানুষ স্রষ্টার অধীন এটাই নীতি।

তাই তিনি কষ্ট কে ভাগ করে প্রাণী জগৎ এ দিয়েছেন

আর তার রং দিয়েছেন গাঢ় নীল।

কষ্টের গভীরে আবার গাঢ় নীলে চকচকে কোরাণের বাণী-

কষ্টের পর দুঃখীর জীবনে সুখ তো আসবেই।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পন্ডিত

 

 

শত শত পন্ডিত গোয়া মেরে আজ তালবেলেম থিকা পুরোদস্তুর পন্ডিত হইয়াছি;

একটা সময় গেছে পারার চায়ের টঙে প্রতদিন দু-একটা পন্ডিত জন্মাইছি-

আমি যহন পারার বুদ্ধিজীবীদের বাপ

আর তখনো টোলে মেধাহীন ছাত্রদের ঠ্যাঙায় পন্ডিত সাপ।

পন্ডিতেগো বিদ্যাবুদ্ধিতে ঠাডা পরুক,ক্লাশ অন টুর বইতে-তে সীমবদ্ধ পন্ডিতগণ বিদ্যে বুদ্ধির জাহাজ সাজতে চায়

তাইতো কবিদের আসরে,বুদ্ধিজীবীদের আসরে খালি,গোয়ামারা খায়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

হকিংয়ের প্রতি…

মৃত্যুতে ঈশ্বরের হাত নাই মানব মস্তিষ্ক এক অজানা কম্পিউটার

যাহার সুইচ টিপিলে আলো জ্বলিবে নষ্ট হইলেই অন্ধকার;

কম্পিউটার শেষ হইলে যায়না যেমন সংগ্রহ করা কিছু

মানব জীবন এমন বাবা মরিলে পরকালের তরে অস্তিত্ব থাকিবেনা কিছু,

সৃষ্ট মানবের এমনই বাহার

উহা হকিং সাবের নয়া আবিষ্কার।

গ্রান্ড ডিজাইন উপুর করিলে চোখের সামনে থিকা ভাসে;

ঈশ্বর আত্মা অমরত্ব নাই কো ভবে হকিং সাহেব হাসে।

তখন হকিং সাবের ১ম বউয়ের ডিএনএ হেসে বলেন-

আমার মাঝে অমরত্ব আছে হকিং কি তা জানেন?

কম্পিউটার হাসিয়া কয় ওহে হকিং বিদ্যের সাগর জেনে নাও তুমিও

আমার ভিতর যাহা আছে সংগ্রহ করা যাবে সবই মৃত্যুর পরেও

চাইলে ইন্টারনেটে না হয় হার্ড ডিস্কে।

 

 

 

 

 

 

 

স্যার

(Aa¨vcK Avãyi iv¾v‡Ki cÖwZ…)

 

স্যার কত শত যে প্রফেসর দেখি মিনিটে মিনিটে জন্ম লয়

দাঁড়াইয়া উচ্চস্থানে জ্ঞানপিপাসুদের ভাবেন চুদির ছেলে;

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর গণ ভাতের অভাবে জ্ঞান ব্যাচে

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর গণ নাম ফুটাইতে পদবী ব্যাচে;

প্রফেসরগণ হ্যাডাম লইয়া লাফায় কেন?

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসরগণ গোল গলায় কোট টাই হাকাইয়া বড় বয়ান মারে।

স্যার কত শত যে প্রফেসর দেখি মিনিটে মিনিটে জন্ম লয়,

স্যার আপনার মত দেখিনা কেন এক জনও?

অহমিকাহীন আপনার মত একজনও কেন জন্মায় না?

নীতিবিরোধী বড় বড় ডিগ্রীরে কেন পায়ের তলায় কেউ ফ্যালেনা?

নেয়ার চাইয়া দেওয়া উত্তম কত কি যে দিয়া গেলেন;

মানুষরে দিয়া এহ জগতে নিজে কি পাইলেন?

স্যার বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখেন মিনিটে মিনিটে প্রফেসর জন্মায়;

এত খুঁজলাম এদের মধ্যি আপনারে কেন পাইলাম না?

জোনাকিদের লগে খোঁজলাম;খোঁজলাম তারকারাজিরর ভিরে,

চাঁদে খোঁজলাম খোজলাম পরীদের ডানায় ডানায়,

স্যার পাইলাম কেন আপনারে?

কবিদের আসরে খুঁজলাম,

খুঁজলাম পদ্যের ছন্দের মাঝে

গদ্যে খুঁজলাম;খুঁজলাম বেবাক সাহিত্যে,

স্যার আপনারে পাইলাম না ;পাইলাম না আপনার টিকিটাও।

অবশেষে যখন বেবাক বুদ্ধিজীবীদের আসরে গেলাম,আপনার অস্পষ্ট একটা ছায়া দেখলাম।

তবে সেই ছায়ায় আপনার কোন নীতি বিদ্যমান আছিলো না।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সমালোচোদনা

 

রাস্তায় রাস্তায় আর হাটেঘাটে হ্যান্ডবিল ছাপিয়ে জানিয়ে দাও

সজল নামের একটা পাগল চোদা পোলা আছে

যে আমাদের চৌদ্দগুষ্টির নামে কবিতা লিখে লিখে অভিযোগ আনে

আমরা নাকি ধ্বজভঙ্গ।

সে কোন কবি না,বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর না,

বুদ্ধিজীবী বা ভাঁড় না-না তার কোন বই বেরিয়েছে;

মোদ্দকথা গর্ব করার মত দন্ড ছাড়া তার কিছু নেই।

তবুও তার কবিতার কোপ গায়ে বড্ড তেল তেলে লাগে;

প্রফেসর সম্পাদক, প্রকাশক কবিসহ সহ

সাড়ে চৌদ্দ জনের বিপক্ষে তার অভিযোগ,আমরা নাকি ধ্বজভঙ্গ

বীর্যেসৌর্জে নাকি পঁচন ধরেছে আমাদের।

মহিলা কবিদের কবিতা ছেপে ছেপে আমাদের নাকি মৈথুনে সব শেষ হয়ে গেছে।

সে নাকি সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়ে দেবে,কাব্যের মঞ্চে দেখো সুযোগবাদীদের মারামারি

কবিদের মধ্যে দ্যাখো কত ধুরন্ধরি।

ঐ ছেলেটা হাত দিয়ে প্রফেসরকে দেখিয়ে বলে,

দেখো দেখো ঐ সার একটা ছাগল আছিলো।

পত্রিকার সাংবাদিকদের, সম্পাদকদের চিমটি কেটে বলে,

রংবেরঙয়ের সাংবাদিক আছে আমাদের ঝুলিতে

হলুদ, লাল, বাদামী আরো কত রং জানো কি?

এমন পাঁজি পিচকে হতচ্ছাড়ার বিচার না হয়ে কই যাবে?

১০ কুটি টাকার মানহানি মামলা করে দাও

হ্যান্ডবিলের সাথে রাস্তার মোড়ে চায়ের দোকানে দোকানে পোস্টার মেরে দাও;

শিরোনাম করে দাও লাল কালি দিয়ে

সজল একজন রাজাকারের নাতী

অতএব তাঁর ফাঁসি চাই।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বুদ্ধকে দেখেছি

আধো আলো আধো অন্ধকারে এচড়ে পাকা চিত্ত ছুটে চলতে চাচ্ছে বুদ্ধের আসরে বুদ্ধের দেশে

অথচ ভিখেরিদের আমি পছন্দ করিনা।

ভিখিরির বেশে বুদ্ধ ভিক্ষে করছে যেখানে থালাহীন ন্যাড়া মাথা নিয়ে;

ভিক্ষুকে ঈশ্বরের অনীহা আছে তবুও বুদ্ধ ঈশ্বররের আড়ালে ভিক্ষুক সেজে কেন?

আনন্দ মাহানন্দ রাহুল রিচিরা থালা হাতে ভিক্ষুদের দোরে দোরেই ঘোরে

শত কোটি ভিক্ষুক জন্মিয়ে শান্তিতে আছেন মহামতি বুদ্ধ,

এই দেশে আমাদের এই দেশে ভিক্ষুকদের দোরে ভিক্ষুকরা যায়না লুক্কায়িত অজানা বিদ্বেষে

বুদ্ধকে জানি ভিক্ষে করেছে প্রতিটা মানুষের দোরে।

ভিক্ষুকদের সন্নিকটে ভিক্ষে চেয়েছে গেড়ুয়া ন্যাড়া ভদ্রলোক মহামতি এশিয়ান বুদ্ধ।

চারদিক বিক্ষোভে মাত হয়ে যায়নি;

রাজার ছেলে ভিক্ষুক হয়েছে-

সেনাপতি মহাশয় বেশ খুশিই হয়েছিল মহামতি রাজার ছেলে ভিক্ষুক আর রাজ্য তাহলে আমার।

অথচ রাজ্য হারিয়েছিল এক মহান রাজা পেয়েছিল ভিক্ষুকের বেশে মহামতি দিন ভিখীরি বুদ্ধকে।

আর আমি তিব্বতের লামাদের দেখেছি ফকিরনির বেশে গেড়ুয়া কাপুড়ে চাষ করে সোনার,পাহাড়ে পাহাড়ে।

বুদ্ধ হোক জাতীর আইডল

জাতী ভিক্ষে করুক দোরে দোরে ঘুরুক আর পাখি শিকার না করে শিকারীর গল্প শুনুক;

মন চাইলে গান গাক গলা ছেড়ে,বসন্তের গান।

বুদ্ধকে যদি দেখতে চাও কখনো উড়ে যেওনা বার্মা ওখানের বুদ্ধ ভিক্ষা করেনা,

ওখানের বুদ্ধ জীব হত্যাকে মহাপাপ মনে করেনা

ওখানের বুদ্ধ তাজা রক্ত খেতে ভালোবাসে,

দোরে দোরে ঘুরে তৈরী করে হাজার হাজার রক্ত খেকো ভিক্ষু।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

একটি স্ক্যান্ডালের কান্না

সেক্স তোমাকে বিশ্বাস করে

বন্ধুর বিছানায় নিজেকে এলিয়ে দিয়ে

তার ত্যাজ্য কে দেহে গ্রহণ করলাম

টেবিলের ফাঁকে পাতা ছিলো প্রতিবিম্বধারক

আমি লক্ষ্য করিনি ঐ বেঈমানকে

একটি রাতের পত্নি হয়ে

যাবতীয় সুখ দেহের কারিডোরে ঢেলে দিয়েছিলাম।

শিহরিত তুমি বলেছিলে এসব গোপনীয়

সব গোপন থাকবে; কাকপক্ষীও জানবেনা

আমি বিশ্বাস করে নিজেকে সপেছি

ডুবেছি তোমার চাহিদায় ;হেতু আমি শিহরিত

তুমি ডেস্কের পাশে লুকিয়ে রেখেছো বাক্স ভরা বেঈমান

আমি দেখিনি বা ভাবিনি ওটা কি।

তোমাকে তৃপ্ত করে যখন আমি ক্লান্ত

তখন নীতিকথা গুলা বেশ মনে পরে;

মামা কোন একদিন কথার ফাঁকে বলেছিলে;

ভাদ্দরমাসে কুত্তা দেইখা শিক্ষা নিয়োনা

ভাদ্দর মাসে কুত্তাগুলা কি করে?

যৌনসংগম করে;যা একটা মানুষের দৈনন্দিন রুটিরুজির লাহান।

তবে কুত্তা করে ব্রাত্যদের মত আর আমরা ঘরে বসে।

আমার এখনন নিজেকে ব্রাত্যদের মতন মনে হয়,

যখন নিজের স্ক্যান্ডাল প্রতিবিম্বে দেখি,

ভাঙ্গাভাঙ্গা স্বরে,অামার অর্গাজম দর্শকদের শিশ্নে জল আনে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মেলায় যাবানা হুজুর প্রিয় বইমেলায়

মাদ্রাসা ছাত্ররা কেন প্রগতিশীল নয়

প্রতিটা দিক থেকে পিছে পরে রয়

সেলিনা অজয়দের মুখরোচক বিবৃতি

জঙ্গী প্রহসনে প্রিয় প্রথম আলোর তুবড়ি

অকবি কবিতা লিখে প্রতিবাদ করে

জঙ্গী জন্ম হয় শফী হুজুরের ঘরে।

মাদ্রাসায় বিজ্ঞান নেই;বাংলা সাহিত্যে রবী ঠাকুর নেই

সুকুমার নেই, আজাদ তসলিমা নেই

তাহলে পড়ছেটা কি?

দুখান আরবী কেতাব, ৩খান ফার্সী কেতাব যত জেহাদী বই আর লাগে কি?

ওরা আকাশের ফাঁদে ফাঁদেও যৌনতা ছড়াতে পারেনা

ওদের সীমিত জ্ঞানে

নতুন গজানো ভাঁড়দের মত অসৎ বুদ্ধিও

পারেনা রচনা করতে মিথ্যে যত অতীত বৃত্তান্ত

নেই নেই ওরকম কুফা এলেম ওদের নেই।

স্বাধীন এদেশে নানাবিধ সংবিধান রচনা করা যায় বটে

৩৬, ৩৭ এবং ৩৯ নং সংবিধান প্রয়োগ তো চুলোয় যাবে –

বই মেলায় যাবানা প্রিয় বই মেলায় হুজুর

দাঁড়ি আর পাঞ্জাবী তে যাবানা প্রিয় বইমেলায়;

কাউন্টার টেররিজমের বাবাদের কাছে বলে;

৪৮ ঘন্টা খাইয়ে দেবো লাল দালানের ভাত

বাংলাদেশ পুলিশ রেস’ইজম দোচেনা।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বন্ধুর কষ্ট

নিজ চোখে যখন বন্ধুটাকে সর্বশান্ত হয়ে যেতে দেখি,

চটপটে ওর স্বভাবকে গড়িয়ে যেতে দেখি

দেহ গহ্বর থেকে পতিতা পল্লির কোটড়ে,

ফিরে যাচ্ছে গুহা যুগে-

তখন মদের পেয়ালা ওর দিকে এগিয়ে দেই;

খেয়ে এক পেগ ভুলে যা যত পেয়েছিস অগোচরে প্রিয় বেঈমানদের হাতে কইলজা ছেড়া আঘাত-

আর ভালোবাসার মায়ের মেয়ের নানীর কাছে খবর পৌঁছে দে,

যাকে হারিয়েছিস তুই প্রিয় বন্ধু ভেবে তাকে এক নাগার খিস্তি মেরে যা

ভালোবাসার মাকে আমরা খালাম্মা ডাকি।

ফিরে আয় সেই আড্ডা খানায় যেখানে তোর জন্য দুহাত বাড়িয়ে বসে আছে কিছু বন্ধু।

সব ব্যাথা ভুলে গিয়ে আয় গান ধরি সিগারেট মুখে;

যার ইচ্ছে সে চলে যাক;চলে যাক বেশ্যার মত দেহ বিলিয়ে দিক ৭৫০ জনকে

আমরা সুফিসাফ পাগল করিনা।

 

 

 

 

 

 

 

পর শিল্প

মাথায় চেপেছে খুন

দেশের সংস্কৃতি আজ ধুলোয় লুটিয়ে

বাল ছিড়ে হাতে নিলাম ভাষাভাষীর

প্রাধান্য দিয়েছি অপর শিল্পি

দেশী কবিরা আজ ভাত না খেয়ে মরুক তাতে আমার কি অকা?

লজ্জা হয় মা বড় লজ্জা হয় মা,

তোমার সন্তানেরা বাংলায় গান জানেনা।

স্বজাতীর গুলিবিদ্ধ করোটীর দাম দিতে জানেনা;

দাম নেই ভাষার ছিটে ফোঁটা

শাহাবাগ টিএসসিতে চেতনা ফুলিঙ্গ বিক্রিতে উদ্বুদ্ধ মন

আর দিন শেষে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে উড়ে যাই প্রিয় জার্মানে।

মধুসূদন বুঝেছিল সারাকাল কপচিয়ে বিদেশী বুলি কোন লাভ নেই;

কবি লর্ড বায়রন তাকে কিছু দিতে পারেনি

যুগযুগ অপর শিল্পের ভৃত্য খেটে

শেষে ফিরে এসেছিলো সেই সাগরদাঁড়িতে সেই বাংলায়।

ফিরে আসবে জানি সবাই একদিন

মধুসূদনের পথ ধরে; সেদিনের প্রতিক্ষায় মন বিকুলি,

আবার ওরা জড়িয়ে ধরবে বুকে বাংলাদেশের পতাকা

মাঠের পাকা ধান নিয়ে পদ্যে মাতবে

আর গান গাইবে,আমার প্রাণের বাংলা।

কবি আমি তো আর আগের মত নাই

কবিতা লিখতে লিখতে কবে যে বাস্তব থেইকা হারাইছি অলীকে;

কবি আমি তো এখন আমারেই চিনিনা

আমি যে কে বা একজন মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়া ভাবি না।

ঘুঘু পক্ষীর ডাক লাগে কুকিলের মত কুহুকুহু;

ঘুঘুরা কি তবে কুকিল হয়েছে?

নাকি উকিলের মত কুকিলদ্বয় সব ভোল পাল্টাইছে?

নাকি আমার মতন প্রকৃতিবিরুদ্ধ হওনের তালে আছে?

একটি সাদা পক্ষী ছিলো উড়ে গিয়াছিলো শান্তি নিকেতনে,

গিয়া দ্যাখে প্রকৃতিবিরুদ্ধ রবীন্দ্রনাথ ঘুমিয়ে আছেন অবচেতনে।

ঢাকা শিক্ষালয়ে আল্লাহ্’র ঘরের পাশে অবচেতনে

ঘুমায়ে আছেন প্রকৃতিবিরুদ্ধ নজরুল সাব

ঘুমায়ে আছেন শামসুর রহমান ঝিম মেরে আছে আলমাহামুদ, ফরহাদ মজহার;

একটা সাদা পক্ষী ছিলো আমার বার্তা বাহক

ঘুমন্ত সব প্রকৃতিবিরুদ্ধ কবিদের কাছে বার্তা পাঠায়েছি তার কাছে;

ওগো কবিরা,আমি তো আর আগের মতন নাই।

 

 

 

 

 

প্রভূ

আজ দ্বীনহীনা আমি প্রভূর কাছে শুকরিয়া করে যাব,

কতকাল আর করে যাব চির বেঈমানদের মত নিজের পূজোপাঠ,

আজ অনেক কিছু বলার আছে প্রিয় প্রভূর কাছে

প্রভূ শুনবেন কিন্তু বেঈমানের ফরিয়াদ।

না না প্রভূ আমি ফরহাদ মজহারের মত না তোমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবনা,

আমি প্রভূ অতটা বেত্তমিস না

আমার কাব্য হবে ভালোবাসার

যাতে কোন রক্তের দাগ থাকবেনা

থাকবেনা বেত্তমিসতার কোন ছাপ।

আমি যুক্তির জালে তোমাকে বাঁধবনা

করবনা ছিটেফোটা অপমান

মানুষ করে গড়েছো করনি অপমান

আমি তো আর চারপেয়ে জানোয়ার হইনি

জানোয়ার হলে ;ঘাস চিবুতাম আর আকাশের পানে

তাকিয়ে তাকিয়ে হাম্বা হাম্বা রবে ডাকতাম।

দয়া করে এতটা কাল বাঁচতে দিয়েছো;

আঙ্গুর নাশপতি দিয়েছো ঘাস খেয়ে তো তরতর করে বড় হইনি।

মুখে অন্ন দিয়া পেটে শান্তির নহর বইয়েছো

এটাই অনেক, এতেই খুশি এরপর আর লাগে কি?

দ্বীনহীন আমি বারে বারে আল্লাহ্ পাকের দরবারে দুহাত তুলে কাঁদি;

জড়াব্যাধি যত আছে মোর মাফ করে দাও যদি

চীর কৃতজ্ঞ থাকবো আলহামদুলিল্লাহ্ আলহামদুলিল্লাহ্ প্রভূ।

হীন আমি তোমার কাছে কীটের মতন;

পাপীতাপী বড় আমি বেঈমান আমি ঈমানের করেছি অযতন।

প্রভূ মাফ করে দিবেন কি?

রহমান কি মাফ না করে পারে

পাপীতাপী এই কীট সম বান্দারে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মালিহা

মালিহা যদি তুমি একটা ফুল হও,

আমি মৌপোক হয়ে বার বার তোমার গায়ে বসবো,

সুরসুরি দেবো তোমার পাপড়ির গায়ে লেপ্টে থাকা মধু আহরণ করব।

বৃষ্টি হয়ে অনবরত টিপ টিপ করে ঝড়ে যাব সারা বেলা

বাতাস হয়ে পরাগ দেবো খেলব সারাবেলা।

যদি ঝড়ে যেতে চাও ঝরে

তোমার গাছের তলায় শক্ত খুটি হয়ে রব গেড়ে।

মাছি হয়ে তোমার গায়ে ফোটাবো সন্তান

মনে রেখো যদি ছেড়ে যেতে চাও বার বার বিভিন্ন রূপে বাধাবো বন্ধন।

অবশেষে বার্ধক্যে এসে যদি কোন দিন মাটিতে ঝরে যাও পরে

আমি মাটি হয়ে যাব নিজের দেহে তোমাকে নেবো জড়িয়ে।

আমার জন্যই তোমার উৎপত্তি

আমাতেই হবে অন্তিম।

 

 

 

 

 

 

 

আমার কষ্ট আমার একারই থাক

আমার লুকানো কষ্টের গলিতে নিয়মিত কষ্টেরা দল বেঁধে মিছিল করছে;

হিংসেয় জ্বলে পুড়ে মরছে কিছু নরকের কীট;

আমার কষ্ট দেখে যাদের ভালো লাগে খলখলিয়ে হেসে উঠছে কেউ কেউ ;

তারা বলছে এ নাকি নাটকীয় অশ্রুপাত।

আর আমি?

আমি তো আমার আবেগ নিয়ে বোকার মত

ফেলে যাচ্ছি চোখের জল ফেলছি লবনাক্ত জল।

আমার এমন কিছু কষ্ট আছে,একান্তই নিজস্ব;

কেউ নেই কেউ নেই শোনার মত

চোখ ভিজে ভিজে উঠছে অনবরত;

ওরা আমার কান্নাকে ড্রামাটিক ভাবছে!

ওগো ঈশ্বর জগদীশ ;আমার বেলায়ই এমন কেন ঘটে চলছে?

জগদীশ্বর ;এই তামাম নশ্বর দুনিয়ায় মানুষ এত হতভাগা কেন?

এত কষ্ট যখন দিয়েছই তবে কেন মানুষরূপে বানালে?

জড় করে যদি বানাতে হয়তবা কষ্টগুলো সব গায় লাগতনা,

মানুষ আর সংসার ঘর কি শুধু স্মৃতির জ্বলন্ত মোমবাতি,

যার একদিকে ছায়া দিলে অন্যদিক আলোকিত করে?

জগদীশ্বর ;এই তামাম নশ্বর দুনিয়ায় মানুষ এত হতভাগা কেন?

কেন মোমবাতির মত জীবন কাল তার জ্বলন্ত আর গলন্ত?

কেন একপাশ তার প্রতিষ্ঠিত করে অন্যপাশ হয় স্মৃতি বিজড়িত

দুঃখের কষ্টের আর সাগর সম কান্দনের?

অনবরত ঐ দানাবাঁধা মুক্তোর দানার মত জল পরেই চলছে;

ঘুমহীন হয়ে পরেছি কান্নাগুলো ঘুমকে দূরে অদূরে তাড়িয়ে দিয়েছে।

আমি আজ মাফ চাই;আমাকে মুক্তি দাও এই কষ্টগুলো থেকে ঈশ্বর তোমাকে ধন্যবাদ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ভাতের অভাব নাই

ভাত উড়ছে আকাশে বাতাসে দরীদ্রতার কোন ছাপ নেই

এই শহরের গোপন পতিতা পল্লিতে খদ্দেরের ও অভাব নেই।

দেহের কোটরে শান্তি চলে, পেট ভরে যায় দুবেলা দুমুঠা ভাতে

খদ্দের আসে খদ্দের যায়, দশ মিনিট সময় কাটায়।

৫০ টাকায় দেহ বিলিয়ে ২বার,

২বেলার ভাতের জোগাড় করে চলে যায় একটি পরিবার।

ঐ বস্তির ভাত না খেতে পাওয়া নাম করে,

হাড্ডিসার কংকালসার দুটো ছেলেকে পত্রিকার পাতায় লেপ্টে রেখেছে ফডু সাংবাদিক;

সাংবাদিকরা কি সাংঘাতিক!

আমাদের মহামতি সরকারের বিরুদ্ধে এক প্রিন্ট মিডিয়ার নব ভাওতাবাজি।

মাথার উপরে চালা নেই যার পাতিল ভর্তি ভাত আছে তার, আছে পাশে দুটাকার সরকার।

দুবেলা ভাত না খেয়ে এখন আর কেউ মরেনা।

এই শহরের মাটির কীটেরাও ভাত খেয়ে দিব্যি পেট উচিয়ে চলে

চালের কেজি এক হালী ডিমের দর

ওরা ঐ কংকালসাররা ভাত খাচ্ছে কেন

ভাতের দরে ডিম খেয়ে বড়লোকের বাচ্চাদের মত বল্ডি বিল্ডার হোক।

 

 

 

 

ভাই আর আল্লাহ্’র আইন

আজ আকাশে মেঘের দ্যাশে কত শত ঘুড্ডির প্যাঁচাপ্যাঁচি দেখি অথচ

ভাই কতকাল তোর তৈরী রঙিন ঘুড্ডির প্যাঁচাপ্যাঁচি দেখিনা;

দুই ভাই রঙিন ঘুড্ডিও মেঘ দ্যাশে উড়াই না,

আর কচাত কইররা আমার ঘুড্ডির সুতাও কেউ কাটে না কেন?

আমার লগেই এমন ঘটে কেন?

জগদীশ্বর ;এই তামাম নশ্বর দুনিয়ায় মানুষ এত হতভাগা কেন?

তামাম দুনিয়ায় জোড়া মানিক দিলা;অথচ এক লগে টানা শত বছর থাকনের নিয়ম দিলানা!

দিলা অব্যক্ত কিছু স্মৃতি;যা মনে পরনের লগে লগে কাইন্দা বার বার উঠি।

এক প্লেট তরমুজ আর আগুনে পোড়া তিতইলের বিচি;

আমারে দিলি কম তুই নিলি বেশি।

আমার হাতে যখন খাওনের বাটি,

ভাগেই জান্নাত জাহান্নাম বইলা নিয়া নিলি বেশি,

ঐসব মিস্টি জোচ্চুরি আর ম্যাঘের দ্যাশে ঘুড্ডি উড়ানোর

স্মৃতিমালা পুরানা কাসুন্দি ঘাইটা পাইয়া গেলাম রঙিন স্মৃতির কথামালা।

জগদীশ্বর ;এই তামাম নশ্বর দুনিয়ায় মানুষ এত হতভাগা কেন?

মানুষ কেন জীবীকার তাগিদে বাপ মা ভাইরে ফাঁটকি দিয়া দূর দ্যাশে পারি জমায়?

সংসার ঘরে আর নতুন মানুষের লগে ঘর করে।

সংসার ঘর কি খালি তাইলে স্মৃতির জ্বলন্ত মোমবাতি,

যার একদিকে ছায়া দিলে অন্যদিক আলোকিত করে?

জগদীশ্বর ;এই তামাম নশ্বর দুনিয়ায় মানুষ এত হতভাগা কেন?

কেন মোমবাতির লাখান জীবন কাল তার?

একপাশ তার প্রতিষ্ঠিত করে অন্যপাশ হয় স্মৃতি বিজড়িত দুঃখের কষ্টের আর সাগর সম কান্দনের?

জগদীশ্বর এই যদি হয় নিয়ম নীতি তাইলে একটু ঘুরাইয়া ফিরাইয়া দেওনের আর্জি করি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Nyg

ঘুমের মায়রে চুদি, খাঙ্কির পোলা গেছেন নাকি মাসির বাড়ি

আয় ঘুম দু চউক্ষের পাতা জড়াজড়ি কইরা আয়

ওরে ঘুম কত ডাকন লাগবে তোরে চোক্ষের পাতায় আইজকা ছান্দা পইরা গেছে;

ঘুমের লগে নাকি সিডাক্সিনের বহুত পেয়ার মহব্বত

দুই হালরে কান ডলা দিয়া চউক্ষের পাতা এক করি

ঘুমের মায়রে চুদি, খাঙ্কির পোলা গেছেন নাকি মাসির বাড়ি।

ঘুম ঘুম কইরা ডাকি যখন

ঘুম তখন আমারে দেইখা দাঁত বাইর করে হাসে তখন;

কত রাজ্য ঘুইররা মনু কত মানুষরে ঘুম পরাই

হিসাব রাখোনা খালি চোদাচুদির বদ্ধ জলে ভাসো,

তোমার কাছে আইতে যে আছি এইবার তো একটু হাসো।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পর শিল্প

মাথায় চেপেছে খুন

দেশের সংস্কৃতি আজ ধুলোয় লুটিয়ে

বাল ছিড়ে হাতে নিলাম ভাষাভাষীর

প্রাধান্য দিয়েছি অপর শিল্পি

দেশী কবিরা আজ ভাত না খেয়ে মরুক তাতে আমার কি অকা?

লজ্জা হয় মা বড় লজ্জা হয় মা,

তোমার সন্তানেরা বাংলায় গান জানেনা।

স্বজাতীর গুলিবিদ্ধ করোটীর দাম দিতে জানেনা;

দাম নেই ভাষার ছিটে ফোঁটা

শাহাবাগ টিএসসিতে চেতনা ফুলিঙ্গ বিক্রিতে উদ্বুদ্ধ মন

আর দিন শেষে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে উড়ে যাই প্রিয় জার্মানে।

মধুসূদন বুঝেছিল সারাকাল কপচিয়ে বিদেশী বুলি কোন লাভ নেই;

কবি লর্ড বায়রন তাকে কিছু দিতে পারেনি

যুগযুগ অপর শিল্পের ভৃত্য খেটে শেষে ফিরে এসেছিলো সেই সাগরদাঁড়িতে

সেই বাংলায়।

ফিরে আসবে জানি সবাই একদিন

মধুসূদনের পথ ধরে;

সেদিনের প্রতিক্ষায় মন বিকুলি,

আবার ওরা জড়িয়ে ধরবে বুকে বাংলাদেশের পতাকা

মাঠের পাকা ধান নিয়ে পদ্যে মাতবে

আর গান গাইবে,আমার প্রাণের বাংলা।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কবি ইয়া নফসি ইয়া নফসি

ঐ বিচ্ছিরি চুলের গন্ধ

একটা সময় আমায় টানতো,

ও কি মদের নেশা,না ভালোবাসা?

অব্যক্ত কথাগুলি,আর ফিরে দেখা কিছু স্মৃতি;

চুলের নেশা আর আমায় টানেনা;

কবি যার যার পথ সে ধরছে-

ইয়া নফসি ইয়া নফসি।

একাই পথ খুঁজি ;কাটা তারের বেড়া ভাঙ্গি

আর জঙ্গলের পানে তাকাইয়া রবী ঠাকুরের গানের করুণ বীণায় তান বাজাই;

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে

তবে একলা চলরে।

জানি এই পথে যতই কাঁটা থাকুক না কেন-

একলাই হৈবে চলতে;

যতই পিছলা হউক একলাই পার হমু কাদা

ধরনি ছাড়া সাকো আর পুল সেরাত-

তোমারে দরকার নাই মুড়ি চাবাও গিয়া।

কবি সাব যার যার পথ সে ধরছে-

ইয়া নফসি ইয়া নফসি।

 

 

প্রেম

তোমার শরীরের মিষ্ট গন্ধ আমার শরীরের স্পৃহা চাগাড় দেওয়ায়,

তুমি এক রাতে তোমার চুলগুলো এলিয়ে দিলে;

আমি গন্ধ শুকলাম সেই এলিয়ে দেয়া চুলগুলোর

আহ সে কি স্বর্গীয় গন্ধ এক অপরিচিত ফুলের সুভাশ!

মোমবাতির নিভু নিভু আলোতে তোমার রূপ চকচক কইরা উঠলো,

আহা আগে তো দ্যাখিনায় এমন রূপসীরে;

একি মদের পেয়ালা নিকি?

খালি পিনিকে ধরে,ধরতে যে আছে ধরতেই আছে,

পিনিকে চউক্ষে আন্ধা দ্যাখি কেন এত ওগো পিনিক ছাড়েনা?

ওগো একি রূপের ছটা নিকি?

নাকি হুরের নূর?

তুলসি পাতার উপর চিকচিক জোনাকিরা বাত্তি জ্বালায়

তুলসির পাতা ছিড়তে-তুমি তুলসি তলা গেলে

তুলসির জোনাক গুলা পুইড়া ভস্ম হবে ঐ হুরীর নূরে।

এত রাত্তিরে তুলসির পাতা ছিইড়োনা;

তুলসির জোনাকিরা জ্বলতে পারবেনা হুরীর নূরে;

জোনাকিগো একটু জ্বলতে দেও,

ওদের প্রেম করতে দাও মন খুইল্যা।

আসো দুইজন হাটি চান্দের আলোতে-

হাতের উপরে হাত রাইখা

কাইলকা রাতের সপ্নের কথা কই;

তারকারাজি পাহারারত আছে ভয় নাই ওগো তোমার।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বাটে পরেছেন লস্কর সাহেব

লস্কর সাহেব;ছাতি খানা বগলে জোড়া পায়ে হাটে

ভাবখানা এমন;পৃথিবীকে যেতে চান পাশ কাটিয়ে,

পকেটে পানের কৌটা ঘনঘন বার করে

পাতার বিড়ি ধরিয়ে জোড়েসোড়ে টান মারে।

চায়ের দোকানে গিয়ে ওমা সেকি কারবার

এক কাপ চা নিয়ে ফু মারে বারবার!

সব মিলিয়ে ২০ টাকা বিল করে,

নতুন পাঞ্জাবীর পকেটে বারে বারে হাত ভরে।

খাওয়া দাওয়া শেষে বলে ওহে দোকানি বৎস

পকেটে খুচরো নেই আছে বাপু কড়কড়া পাঁচশ।

কাল দিয়ে দেবো ক্ষণ টুকে রাখো না,

এই বলে গেলো চলে আর এলোনা।

একদিন দুই দিন সপ্তাহর পর মাস পেরিয়ে যায়,

কই গেলেন লস্কর সাহেব খুুঁজে কেহ নাহি পায়।

উধাও লস্কর সাহেব মেরে টাকা কুড়ি

দোকানি রেগেছে বেশ, পেলে ফাঁসিয়ে দেবে ভুঁড়ি।

একদিন ভোরবেলা পাওয়া গেলো তাঁকে

বগলে ছাতা নিয়ে মাথা উঁচিয়ে হাটে,

দোকানি বেচারা ছিলো এমনই সুযোগে

সুযোগে সৎ ব্যবহার;লস্কর পরিলেন বাটে।

 

বগল থেকে ছাতা খান মেরে হ্যাচকা টান

দোকানির সাফ কথা ;ছাতা নিতে হলে বাপু পুরানা পাওনা মিটান।

লস্কর ওঠেন খ্যাকিয়ে,কত টাকা পাও ব্যাটা ওহে কিপ্টে দোকানি?

সামান্য টাকার দায়ে হাতিয়েছ মোর দামী ছাতা খানি।

আজ্ঞে কুড়ি টাকা তাড়াতাড়ি দেন,

কুড়ি টাকা দিয়ে বাপু ছাতা নিয়ে যান;

লস্কর পকেটেতে হাত ঢুকিয়ে

কুড়ি টাকা বের করে দিলো দোকানির মুখে ছুড়ে।

যাবার সময় সিংহ গর্জন,ওহে ব্যাটা দোকানি,

হিম্মত থাকে যদি যাস ও পারায় তোকে দেখে নেবো আমি!

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কলাগাছ

কলাগাছ ঐ পারে ঠায় দাঁড়িয়ে

কলা কাঁদি কেটে নিয়ে ফেল উপড়ে

বারবার এক গাছ কলা নাহি দেয়

একবার কলা দিয়ে- বুড়িয়ে সে যায়।

এক কাঁদি কলা পেতে কত মেহনত

কলা কাঁদি পেয়ে গেলে ;মনিব যায় নিয়ে স্বহস্তে খড়গ।

কলা পেয়ে গেলে গাছের মূল্য কি?

এই বলে কলাগাছের শিরে মারে ছুড়ি।

স্বহাস্যে কলাগাছ বলে,ও মানুষ্য জাতী

নিজবক্ষের ফল খাইয়ে আজ এই পরিণতি?

শুনে রাখ,শুনে রাখ তুই তবে

যতই কাটিস উপরিভাগ- নিম্নভাগে স্বজাতী জন্মাবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

নিনিথ

আমার সেই দিনটা কেমন হবে?

যেদিন স্তুপ তুল্য কল্মুষ নিয়ে হাজিরা দেবো তোমার সমক্ষে;

তুমি আমাকে উপর থেকে প্রত্যক্ষ করবে,

আর আমি নিচ থেকে ভয়ে ভয়ে তোমার দিকে তাকাবো,

হয়তবা না তাকিয়ে নিচের দিকে চোখ রাখবো;

জানি সেদিন পাপাত্মারা প্রবঞ্চনা দিবেনা,

তবুও আমি ভয়ে ভয়ে থাকবো,পুরোনো সব কল্মুষের স্মৃতিতে-

হবে কি আমার সাথে,আমি জানিনা!

আমার সেই দিনটা কেমন হবে আমি জানিনা,

যেদিন তোমার সম্মুখে আমি অনাথের মত দাঁড়িয়ে;একটু করুণা ভিক্ষা চাইবো,

তৃমি তাকিয়ে আমার দিকে থাকবে নাকি ঘৃণায় মুখ ফিরিয়ে নেবে

আমি জানিনা;যেহেতু আমি নাফরমান!

 

 

 

 

 

 

 

 

যাবে আমার সাথে?

তোমাকে নিয়ে উড়ে যাব আজব এক দেশে

লাল পরী নীল পরী তোমার পা টিপে দিবে

বুলবুলি হিরামন ময়নারা গান শুনাবে

জ্বীনের বাদশাহর বউ বেনী বুনে দেবে

ডালা সাজিয়ে থুড়থুড়ে বুড়ি পান খাওয়াবে।

পান খেয়ে গোলাপী অধর যখন লাল হয়ে যাবে

আমি প্রেমিক পুরুষ হয়ে তখন চুমু এঁকে দেবো।

এক ফাঁকে সকলের দিয়ে দেবো ছুটি

তোমার জমিনে রব ফুল হয়ে ফুটি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পরিকল্পনা

বুদ হয়ে আছো কোন নেশার ঝলকে আমি জানি না।

এই দুনিয়া আজ ভাগ করে নেবো দুজনায়

এক প্রান্তে নিহারিকাদের সাজাবে তুমি

অন্য প্রান্তে তারাদের চাষ করবো আমি,

চাঁদের মাটিতে করব হলুদ সরষে ফুলের চাষ

সূর্যের বুকে ফোটাব শিউলি,সেফালি,বকুল আর তাজা লাল গোলাপ।

বুদ হয়ে আছো কোন নেশার জগতে আমি বুঝিনা,

শনি-রবি দুটো গ্রহে যুদ্ধ লাগিয়ে দেবো

শনির বলয় হবে ছেদিত,

পরমাণু মেরে উড়িয়ে দেবো নেপচুন প্লুটো

বুধে চড়াব গরু গাধা ইউরেনাসে হাতিশালা,

মঙ্গলের মাটিতে করব তামাকের চাষ।

বাকি যদি থাকে কোন গ্রহ

তাতে সাদা প্যালেস গড়ে হবে দুজনার সুখ বাস।

 

 

 

 

 

হ্যালুজিনেশান

কুত্তার জীবনের একটা শৃঙ্খলা

থাকতে পারে ;যা আমার নাই

২৬ বছরে শৃঙ্খলাহীন হয়ে আছি।

আমার জীবনের বারোটা বাজিয়েছে মিথ্যে কবির দল,

কবিরা সব মিথ্যুক হয়,মিথ্যা আশা ভরসা আর কাহিনী দিয়া পরিপূর্ণ তাগো সব কবিতা।

জবরজং মস্তিষ্ক নিয়ে মদের পেয়ালা থেকে ঢালছি আর অনবরত গিলছি-

আজ ২৬ বছর হয়ে গেল তোমাকে দেখিনা

তুমি আমাকে মনে রাখনি আমিও চাইনা।

তাই এই ছোট্ট আয়োজন করে আমি আর আমার মন ভাগাভাগি করে মদ গিলছি।

হ্যালো বেঈমান-২৬ বছর পর আমি এক হতভাগা বলছি ;কেমন আছ তুমি বলত?

তরু,

২৬ বছরে তুমি আমাকে অকাঠ ভাবতে পারো কিন্তু আমিত তা নয়,

আমার মধ্য থেকে এখন হাজার হাজার ছন্দরা জন্মায়,

অতএব,আমি তো আকাঠ নয়।

তবে তোমার সাহায্য ছাড়া ওসব ছন্দ

যা আমি জন্ম দিতে পারি সেসব মোরগবীর্যহীন মুরগীর ডিমের মতো অকেজো হয়ে আছে।

আমার ছন্দরা সহ আমি তখন সত্যিকারের আকাঠ হয়ে আছি ছন্দের বুলি আর থাকছেনা।

পিয়ানোর ডেস্কে পরিচিত এক সুর ভেসে ভেসে আসছে

কে ওখানে কে কে?

একি এত পরিচিত কেন লাগছে ফিরে এলে নাকি?

নাকি বুদ্ধিমান স্মৃতি সমূহ আমার সাথে লুকোচুরি খেলছে?

তুমি ত সত্যিই এসেছ মিলা,

ঠোঁটের কোনের সেই তিলে ঝলমল নূরের আভা স্পষ্ট ;

তুমি তো আগের চে আরো বেশ সুরেলা সুর ফাঁদতে শিখেছো-

স্বর্গে এ সুর শিখায় নাকি দেবতার দল?

নাকি তেনারা দেবীগণদের নিয়ে গণলীলায় ব্যস্ত আছেন তাই বীণাটিনা আর বাজায়না?

ওকি জবাব দাও, এত সুর কেমন করে ধরলে পিয়ানোতে?

একটু এগিয়ে এসো তোমাকে ছুঁয়ে দেখি;

ওকি তুমি অনবরত বাতাসের সাথে মিশে যাচ্ছ কেন তরু?

দয়া করে যেওনা যেওনা ২৬ বছরে আজ ধরা দিয়েছো

২৬ বছরে একটা সেকেন্ড তোমাকে ভুলিনি

তুমি সামান্য একটা আবদার না রেখেই চলে যাচ্ছ?

কেন যাচ্ছ জবাবটা দিয়ে যাও তরু।

তোমাকে বড় ভালোবাসি! বড় ভালোবাসি।

তরু,

কথা দাও আমাকে ছেড়ে আমার ছন্দদের মাতৃহীন করে যাবে না।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আমার আব্বা

আমার আব্বাকে আর আমার সহ্য হয়না এখন,

সাদা দাড়িতে দরিদ্র একটা অবয়ব;ছেড়া পাঞ্জাবীতে ঢাকা টুপিতে কালো ময়লা;

আল্লা আল্লা রবে সারা বাড়ি মাথায় তোলে রাতে ঘুমাইতে পারেনা –

কংকালসার দেহে রাত্রে বিলাপ করে তবুও কয়না বাপ একটা টাহার অষুধ আইন্না দে খাইয়া মরি।

আমি কই,বুইড়া কোকায় কেন;মরণ আসছে নি?

নাকি আজরাঈল ভাই দেখা দিছে ‘ল বুইড়া অযতন থেইকা তোর ছুটি!’

এইতো সেদিনকার কথা -আব্বা আমার যেদিন জোয়ান ছিলেন,

আমারে কান্ধে নিয়া দৌড়াইতেন আর বলতেন’ ম্যাজিস্ট্রেট হবি যখন এইরাম প্লেইনে উড়বি বাপ।

আমি মজা পাইয়া খলখল কইরা হাসি দিছি আর আব্বায় কইছে খাড়া অহন গাড়িতে চড়ামু-

তারপর উপুর হইয়া গাড়ি হইছেন,আমি ভুল করে ঘোড়া ভেবে পিঠে থাপড়াইলাম কিছুক্ষণ!

রাত্রে ঘুমাইছি আর ঘুমের মইধ্যে মুখে কমলাটা টিপে রস বের করে বলতেন,

না খাইয়া ভিটামিন, পোলাডার স্বাস্থ্য দ্যাখছো তো ইয়ার মা?

আস্তে আস্তে আমি বড় হইলাম,

আর আমার আব্বায়ও কেমন যেন পাল্টাইলো,এখন আর তিনি ঘোড়া হন না।

এইতো সেইদিন আব্বায় আমার চিকরাইয়া আমারে শাসন করতেন আর বলতেন-‘স্কুলে না গেলে দুবেলার খাওন বন্ধ দেখি ভাত দেয় তোর কোন বাপ!’

ডরে যখন সন্ধ্যায় ও ঘরে ফিরিনা -কুপি হাতে ছদরুলের বাড়ি খুঁইজা আমার বাইর করলেন-

দুইটা চটকনা দেওনের পর দেখি আব্বার চোখে পানি,

এই পানির মানে কি আমি জানি।

তারপর আর আব্বা আমারে মারেন নাই জীবনে।

আমার আব্বারে দেখছি,পড়ছি আমি তিনটাতক আর কুপি নিয়া তিনি দাঁড়ানো শিয়রে,

পরীক্ষা দিছি পকেট ফাঁকা -তব সুদখোর বেল্লাল মাঝির কাছ থেইকা টাকা এনে দিলেন পকেট ভরে।

আমি কি করছি?

সেই টাকা ভাংছি আর বন্ধু নিয়া খরচা করছি বিপথে

অথচ টাকার সঠিক সময়ে শুধতে না পাইরা গালি ঘাড় থাক্কা খাইছেন আমার বাপে।

তয় একখান কথা,

আমার বাপ কিন্তু আগের মতন আর নাই!

এখন,

ময়লা শ্যামলা গায়ে সৌদীর আতুরের ঘ্রাণ

শাদা দাঁড়ি ভর্তি মুখ

সবই আমার নিষ্পাপ ঠ্যাহে,

জুয়ান আর নাই, নাই আগের মত চোট

বুড়া হইছে আমার বাপে।

প্রত্যেকটা বেয়ান বেলা আমি হুনি

নামাজের তাকবীর আর কান্দনের ধ্বনী।

বুড়া বাপের কান্দন আমার আর সহ্য হয়না যেন ক্যান!

আহ আমার বাজান আমার বাজান তুমি এত বুড়া হইলা ক্যান?

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ইতিহাস

মানুষ তো জ্ঞানের দাস নয় জ্ঞান মানুষের দাস

মানুষের দাস হয়ে জ্ঞান লিখে যায় ইতিহাস।

দর্শন কে ধর্ষন তো এই মানুষই করে

কিংবা ইতিহাস রচনা করে গান্ধীর ধুতির কাছা খুলে,

প্রমাণ তো করে ফেলে, আজীবন ল্যাংটা হয়ে

নারীদের পাশে শুয়ে -ব্রহ্মচর্চা করেছেন মোদের গান্ধী ভাই;

রবী দা কবে কাকে দামী কাগজে পত্র লিখে;

বলেছিলো ইংরেজদের বিপক্ষে যেওনা তাহারা ছাড়া গতি নাই।

বিল ক্লিন্টন কবে কোন নারীর সাদা ধবধবে স্কার্ফে শুক্রানু ফেলেছিলো,

ইতিহাস কি বলে, বিনা মেঘে ঐতিহাসিক বজ্রপাত।

সিপিবি লোভে পরে ভাসানীকে সাক্ষী রেখে,

করে তো ছিলো একইশ দফার সাথে সহমত;

মাথা নেড়ে বলেছিলো তারা- হু হা বাঙ্গালীর আইন হবে খেলাফত।

মানুষ তো জ্ঞানের দাস ;

জ্ঞান মানুষের দাস হয়ে রচনা করে ইতিহাসের ইতিহাস।

শরৎ বাবু হয়েছে তো কাবু, বাঙ্গালীর সাথে মুসলমানের খেলা হবে আজ

ইতিহাস স্মরনে রেখেছে শরৎ বাবুকে-

ইতিহাসের গড়ের মাঠে বিনা মেঘে ঐতিহাসিক বজ্রপাত।

কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত আশা ছিলো সুপ্ত

মেরে মরে ধেড়ে নেড়ে ভারত তো করবেন নেড়ে মুক্ত;

রবী দা হেসে বলে শিবাজী কাজের ছেলে

মেরে তেড়ে নেরে ধেরে মূল তো উপড়ে দিলেন

শীবাজি নায়ক আজি নয় সে ভিলেন।

রবী সবি একা একা সাহিত্যে চাঁদের দেখা নোবেল টোবেল ছিনিয়ে তো নিলেন

পেছনে ফেলে যত বাঙ্গালী,দেখিয়ে বৃদ্ধাঙ্গুলি

দুহাত তো ধরে মেলে ইংরেজ দান গ্রহণ করেই গেলেন,

নিয়ে নাইট উপাধি শেষ অবধি নাইট ফাইট উপাধি দিয়ে তো ফেরৎ

ঢপ দিয়ে বুঝাইলেন,সবাইরে দেখাইলেন,ওরে বাঙ্গালী করিনাতো ইংরেজ তোষামোদ;

কাজের কাজ মাথায় বাজ, ইংরেজদের নোবেল কি ফিরিয়ে দিলেন?

রাজা কেষ্টচন্দ্র দাস করে হাসফাস তাড়াতে হবে নবাব দ্দৌলাকে

তাড়াইতে হলে তাকে পালো ইংরেজ ঝাঁকেঝাঁকে, কর ইংরেজ তোষামোদ।

জাফরের মীর গীরীতে কেষ্টার তোষামুদে

ইংরেজ কেড়েকুড়ে দৌলাকে ঝেড়ে মুছে সিংহাসন নিলো যে কেড়ে

সাহেবদের বিবি ডেকে একরাতে ডেকচিতে, কেষ্টা মদের বহাইলো নহর

মানুষ তো জ্ঞানের দাস নয় জ্ঞান মানুষের দাস

মানুষের দাস হয়ে জ্ঞান লিখে যায় ইতিহাস।

দর্শন কে ধর্ষন তো এই মানুষই করে

কিংবা ইতিহাস রচনা করে গান্ধীর ধুতির কাছা খুলে,

প্রমাণ তো করে ফেলে, আজীবন ল্যাংটা হয়ে

নারীদের পাশে শুয়ে -ব্রহ্মচর্চা করেছেন মোদের গান্ধী ভাই;

রবী দা কবে কাকে দামী কাগজে পত্র লিখে;

বলেছিলো ইংরেজদের বিপক্ষে যেওনা তাহারা ছাড়া গতি নাই।

বিল ক্লিন্টন কবে কোন নারীর সাদা ধবধবে স্কার্ফে শুক্রানু ফেলেছিলো,

ইতিহাস কি বলে, বিনা মেঘে ঐতিহাসিক বজ্রপাত।

সিপিবি লোভে পরে ভাসানীকে সাক্ষী রেখে,

করে তো ছিলো একইশ দফার সাথে সহমত;

মাথা নেড়ে বলেছিলো তারা- হু হা বাঙ্গালীর আইন হবে খেলাফত।

মানুষ তো জ্ঞানের দাস ;

জ্ঞান মানুষের দাস হয়ে রচনা করে ইতিহাসের ইতিহাস।

শরৎ বাবু হয়েছে তো কাবু, বাঙ্গালীর সাথে মুসলমানের খেলা হবে আজ

ইতিহাস স্মরনে রেখেছে শরৎ বাবুকে-

ইতিহাসের গড়ের মাঠে বিনা মেঘে ঐতিহাসিক বজ্রপাত।

কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত আশা ছিলো সুপ্ত

মেরে মরে ধেড়ে নেড়ে ভারত তো করবেন নেড়ে মুক্ত;

রবী দা হেসে বলে শিবাজী কাজের ছেলে

রবী সবি একা একা সাহিত্যে নোবেল টোবেল ছিনিয়ে তো নিলেনপেছনে ফেলে যত বাঙ্গালী, দুহাত তো ধরে মেলে ইংরেজ দান গ্রহণ করেই গেলেন,

নিয়ে নাইট উপাধি শেষে করে ম্যালা ফাইট, নাইট উপাধি দিয়ে তো ফেরৎ

বুঝাইলেন করিনাতো ইংরেজ তোষামোদ;

কাজের কাজ মাথায় বাজ, ইংরেজের নোবেল কি ফিরিয়ে দিলেন?

নোবেল তো দিলোনা বাঙ্গালীর তরে সাহেবী হালতে জমিদারী চলাইলেন।

নাম নয় শুধু কামেও সেরা অত্যাচারী জমিদার মোদের রবীদা।

রাজা কেষ্টচন্দ্র দাস করে হাসফাস তাড়াতে হবে নবাব দ্দৌলাকে

তাড়াইতে হলে তাকে পালো ইংরেজ ঝাঁকেঝাঁকে, কর ইংরেজ তোষামোদ।

জাফরের মীর গীরীতে কেষ্টার তোষামুদে

ইংরেজ কেড়েকুড়ে দৌলাকে ঝেড়ে মুছে সিংহাসন নিলো যে কেড়ে

সাহেবদের বিবি ডেকে একরাতে ডেকচিতে কেষ্টা মদের বহাইলো নহর-

পূজো হল মদ গিল্লো সাহেব তো খুশি হলো

আর কেষ্টাকে করে গেল ‘মহারাজ’ বাঙ্গালীর সাথে লইয়া ফাপর,

এ এক আজীব শহর কাটিলে দ্বিপ্রহর,

নৈশতে যেথায় স্বাধীনতা কামীর শূল হয় -আর বেঈমানী নয় কোন ওজর;

বেঈমান কেষ্টা করে বহু চেষ্টা, আজি হিরো তব করে ইংরেজ দালালি,

আর এক দিকে দৌলা পরে আছে একলা কেষ্টার খবর হইলেও নবাবের কেহ নেয়না খবর!

ইতিহাস পাতিহাঁস হলো কেষ্টার আসল ইতিহাস হইলো কবর!

জনকিনাথ রায়বাহাদুর-সাহেবী খাস হালতে জমিদারী পাইলেন হাতে

সুভাস যে তারই ছেলে -গলা ধাক্কা খাইলেন শেষ বিকালে

করিলনা বাবারে অনুসরণ -সাহেব তো করিবেন দমন

তাই সাহেবী হালতে গুল্লি তো মারিলেন বুকে খাইয়া ঠোকর মারিলেন পাতে।

বাবা তো রায়বাহাদুর পুত্র তো পাইলেন না সে উপাধী

তবু কাঙ্গালি বাঙ্গালী খুশি হয়ে কইলেন বাবু সুভাষ আমাদিগকার নেতাজী!

ম্যাজিস্ট্রেড সাহিত্যিক বাঙ্কিম চন্দ্র-বাবু নিয়াও ঐতিহাসিক দ্বন্দ্ব,

ইংরেজ কোলে বসে দোল খেয়ে বাবু মোর জপে গেছেন ইংরেজ নাম

বাবু পেয়েছে বিশেষ দাম ইংরেজ হইতে পেয়েছেন সম্মান

বাঙ্গালীর টাকা মেরে দুহাতে পকেট ভরে সাহিত্যের গুষ্টিজ্ঞাতিরে করেছেন অপমান!

(সংক্ষিপ্ত)

 

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s