কুর্সড~বা গালি (বইয়ের পাণ্ডুলিপি)


কুর্সড~বা গালি
-সজল আহমেদ

ইহা সর্বকালের, সর্বযুগের, সর্বশ্রেষ্ঠ অভিশাপ বা গালাগালিমময় কবিতাগ্রন্থ। ইহা পাঠ করিলে প্রেমিকার প্রতি আপনার বমির উদ্রেক ঘটিতে পারে। ইহা পাঠ করিয়া নিজেকে এবং এবং পৃথিবীকে ধন্য করুন। গ্রন্থটি সর্বসাধারণের জন্য নহে। ফিডার খাওয়া বাচ্চাগণ এই গ্রন্থ হইতে দূরে থাকিবেন!

যাহারা নাক ছিটকানো পাবলিক তেনারা গ্রন্থটি পড়তে পারেন তবে কথা হইলো গিয়া এই, নাকখানা একশত পঞ্চাশ মাইল দূরে রাখিয়া আসুন যাহাতে ছিটাকানোর প্রক্কালে ফাটিয়া না যায়। গ্রন্থটিতে বাঙলা ইয়াকাডেমীর বানানরীতি ফলো না করিয়াই শুরু করা হইছে। এর লাইগ্যা সাধু, চলিত ও আঞ্চলিক একত্র করিয়াও নিজেকে দোষী মনে হইলো না! ম্রা খাক ইয়াকাডেমীর ভাইসব।
এই গ্রন্থের উপরে কোন কবিতাগ্রন্থ থাকিতেই পারেনা কাজেই এইটার সম্বন্ধে বিস্তর বলিবার প্রয়োজন মনে করি না। সর্বশেষ, গ্রন্থটি পাঠ করিয়া নিজেকে আগাছা ভাবা হইতে মুক্ত হউন।
ধন্যবাদন্তে
সজল আহমেদ

সজল আহমেদ একজন বালছাল ওড়ে বাতাসে
যায় সুন্দরবন আর নিয়া আসে বাঘের বিচি।
আপনারা তাঁরে না চিনলেও সে এমন ভাব লইয়া থাকেন
যেন সে একজন সেলিব্রিটি! হে হে যাইহোক সেলিব্রিটি হওনের
সময় তাঁর হইয়া আসছেও বোধ হয়।
এই বন্ধুটিকে সেলিব্রিটি করতে নিচের ফেসবুক আইডিতে
ফলো খিচুন
fb/sajalahmed2222

রাতের ঘুম
রাতের ঘুমে আমার যত ভয়
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সাথে সাথে
আমাদের একটা দিন মাটি হয়ে যায়!
ঘুমাতে যাওয়ার সাথে সাথে
আমরা একটা স্বপ্নকে মাটি করে ফেলি।
আমাদের মস্তিষ্ক থেমে যায়,
সমাপ্ত করে তাঁর কার্যসমূহ।
ঘুম আমাদের মেরে ফেলে কিছুটা সময়ের জন্য,
আমরা মরে যাই,
আমাদের বাস্তবিত হওয়া ড্রিমসরাও –
অহেতুক অপূরণীয় হয়ে মরে যেতে থাকে।
আমরা পরেরদিন পূণরায় জীবিত হই।
আমাদের স্বপ্ন চলতে থাকে গন্তব্যে,
পথিমধ্যে আবার ঘুমিয়ে পরি, স্বপ্নকে মেরে ফেলি।

বালের কথা
কোন কোন গৃহে, প্রিয় সম্পদ থাকে না।
অথচ ভালোবাসা থাকে সীমাহীন।

রূপা
রূপা! এক শতাব্দি পরে
মনে করো আমাদের
দেখা হয়ে গ্যালো ধরো,
পায়রার পারে
সূর্যটা তখন ডুবছিলো
রক্তিম ছায়া ছিলো
জলের অতলে যাচ্ছিলো
সূর্য, কিয়ৎক্ষণ পৃথিবীর তরে
তাঁর সব মায়া ছেড়ে।
আমি তখন বেঁচেছিলাম
একমাত্র তোমাকে শেষ দেখা দেখতে,
তুমি ও তাই।
আমি পাখি হয়ে গ্যাছি।
তুমি ও পাখি।

মনেকর, তুমি আমাকে দেখে
উচ্ছাসিত হয়েছিলে-
আমাদের এখানে কোলাহল ছিলো,
মুগ্ধতা ছিলো,
দুজনার দু-চোখে তাকিয়ে
আমাদের আবেগের জল গড়িয়ে
ছিলো পায়রার পারেরে!

মেঘ তার উন্মুক্ত ডানায় ভর করে এসেছিলো
সাদাকাশ ঘাসফুলেদের এ প্রান্তরে।
রূপা, আমরা লাজুক ছিলাম,
আমাদের পবিত্র প্রেমের সাক্ষী স্বরূপ
সলিলে কাটছিলো সাঁতার
সাদা একজোড়া রাজহাঁস।
রূপা! কী জলে ভেজালে সেই
মাঠের সবুজঘাসে আজো
একমাত্র তোমারে খুঁজি!
কী আনন্দের অশ্রু আমাদের গড়ায়
চোখ ছানাবড়া হয়;
উন্মুক্ত পৃথিবীর বুকে আমরা খুঁজছি
একটি প্রিয় স্থান, যেখানে এই শেষ বয়োসে
আরো একশতাব্দি ধরে বাঁচবো আমরা!

রূপা চলো পাহাড়ের ঐ খাড়া পাহাড়ের চূড়ায়,
যেখানে মেঘের খেলা দেখা যায়।
উন্মুক্ত আকাশে প্রার্থনা করবো
আরো একগুচ্ছ নতুন দিনের;
রাত জাগরণ শিহরণ জাগাবে
দুটো চাঁদ এক পৃথিবীর
রূপা তুমিও হাসবে।
আমি ও।
আমরা হাসবো।
অরুণাভ ভোরের সূর্যের মতো
মিশে যাও লোমকূপে জমিত
ঘাম হয়ে বেরিয়ে এসে;
অনুভূতি চুষে নাও
আমরা একটি বাসাতে দুটোপাখি
কোলাহল করে একসময় ঘুমিয়ে পরি,
দীর্ঘপথ পারি দেবার অকলঙ্কিত প্রয়াস মাত্র।
পর্দা খোলো, আর ডেকে বুকে লও তৃষ্ণার্ত এ কায়া।
ভাজখোলা চিঠি।
স্বরবর্ণে অঙ্কিত।
গোটাগোটা অক্ষর।
অযত্নে ফেলে না রেখে ;
চিঠির জবাব লিখে পাঠাও
দক্ষিণের ও বাতাসে।

রূপা সামনে পায়রার ঢেউ,
বাতাসে বাতাসে ভেসে চলো গোসল করি
অর্ধমেলনি দৃষ্টি প্রসারিত করে তাকাও
আর ঠান্ডা বাতাসরে বলো ক্ষীণ সুরে গান গাইতে।
চোখ বুজে দ্যাখো চোখের সামনে দেখতে পাবা আমারে,
আমি সবুজ ঘাসের সাথে কথা কই,
একটানা জপ করি তোমারে,
তুমি ফিরে এসো পায়রার পারেরে…..
ও আমার রূপারে…….

আদিখ্যেতা
আমি সারারাত জাগি,
আমার ঘুম আসে না।
আমি কাঁদি,
ছলছল চোখে
চারদিকে তাকাই;
দৃষ্টিক্ষীণ হয়,
নোনতা চোখের পানি।
পৃথিবীর প্রতিটা কোণে
রাত বারে অযতনে
অথচ বারতে থাকা
রাতের সাথে
কপালে হাত রেখে
আমারে তো কেউ বলেনা
“রাত তো অনেক হোলো ঘুমাও না কেন?”
কিংবা বলে না
“না ঘুমুতে ঘুমুতে চোখের
নিচে কালো দাগ পরেছে”
আমি সারারাত জেগে থাকি
শুকনা পাতার মতো
শিশিরে জবুথবু হই
আর আশ্লেষ ডাকি শিশির
এই শীতের রাতে কেন পুনঃ
ফিরে এসে জড়ো করো আমারে?

রিভেঞ্জ
।।এক।।
দুঃখ পেলে সবাই
কাঁদতে জানে না
কারো কারো
হৃদয় ভেঙে যায়
কাচের টুকরার মত
অথচ চোখে
জল গড়ায় না!
যারা কাঁদতে জানে না
তাদের দুঃখটা
কত গভীর
একমাত্র পরমেরই জানা!
আমি এতটুকু দেহে
এত কম বয়োসে
এত অপমান
এত বিরহ
এত অসম্মান,
ক্যামন করে সহ্য করেছি
ভেবে নিজেকে নিজেই
সেলুট করে
বলি “বস মারহাবা” !
তবে হ্যাঁ, তোমার
সকল দুর্ব্যবহারে
হৃদয় ভাঙে আর
চোখ ভারী করে!
অপমান, অবজ্ঞা, অানাদর
আর বিরক্তিবোধ
থলিতে জমা হতে থাকে।
চোখ বারেবার ইশারায়
বলে দ্যায়, আর কত
অবহেলা, তকলিফ
বাকি রয়েছে?

।।দুই।।
ইনশাল্লা
একদিন ফিরিয়ে দেবো
সব জমিত অপমান!
তুমি শুধু তাকিয়েই থাকবে
যেরকম আমি
তোমার দিকে
তাকিয়ে থাকতাম।
মুখের ওপর সব
“না” বলে দেওয়া,
হাত ধরতে না দেয়া
পাশে বসতে না দেয়া
আমাকে বারবার খোটা দেয়া
আমাকে বোকা ভাবা
প্রতিটা গালি
একেক করে
আশ্লেষে আমাকে
ধ্বংশ করে দেয়া!
টিস্যুতে হাত, নাক মুছে
মুখে ছুড়ে দিয়ে
সবকিছুর শোধ নেবো
ইনশাল্লা একদিন!
তোমার মুখে কোন
কথা সড়বে না
কারণ নিজেই খাল কেটে
তুমি কুমির এনেছিলে!
ভাবতেও তোমার কষ্ট হবে যে,
“আমি এতটা খারাপ হতে পারি!”

।।তিন।।
ইনশাল্লা
তুমি মরে ভূত হলে,
তোমার মৃতদেহতে
লাথিও দেবো না
আমার দামী জুতো
ফকিরনি একদম
সহ্য করে না!
জানাজা তো দূরে থাক
আমি তোমার লাশটা কে
দূর হতে
দেখতেও যাবো না!
খাটিয়ায় তুমি
অপমানবোধ
হতে থাকবে।
এমন ভান করে থাকবো
যেন তোমাকে আর
চিনি না আমি।
কোন কালেই
আমরা পরিচিত
ছিলাম না যেন।
আমার ঘৃণা হবে ছিঃ!
পূর্বের সব বিরহ
মনে পরে যাবে;
কবরে একদলা
থুও ফেলবো না।
জানো তো
আমি যেখানে-সেখানে
থুঃ ফেলি না।
সুযোগ পেলে
তোমার নাপাক খাটিয়ায়
আগুন জ্বালিয়ে দেবো!

।।চার।।
ইনশাল্লা
তুমি মরে যাওয়ার
একদশক পর একদিন
কবরে বড় ঘাস গজাবে,
তোমার কবরের
যত্ন নিচ্ছে না যেন কেউ,
নিশ্চিহ্ন প্রায়
কবরের উঁচু প্রস্তর।
মরিচাধরা সাইনবোর্ডে শুধু
তোমার অস্পষ্ট
নাম সাদা
রঙে লেখা।
আমাকে তুমি
আসতে দেখবে
তোমাকে আমি
দেখবো না।
হয়তো ভাববে
তোমার কবর
জিয়ারতে এসেছি।
তুমি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবে
হয়তোবা ভাববে আমার
দোআয় তোমার শাস্তি
কিঞ্চিত লঘু হতে পারে।
অামি হাসবো রহস্যের হাসি
তোমার কবরের মাটি
ভেঙে যেতে দেখে।
আমি কবরের পাশে দাঁড়াবো
জিয়ারতের ভান করে
জিপারটা আস্তে টেনে খুলে
কবরের পাশে ঘুরে ঘুরে
কবরের গায়ে মুতে
লেপ্টে আসবো
গৎবাঁধা শ্লেষ।

।।পাঁচ।।
তুমি দেখবে
অথচ কিচ্ছুটি
বলার শক্তি
নেই তোমার!
দুনিয়াতে তোমার কথা
কেউ শোনে না
এখন আর।
এমনকি তোমার
কবরের ফেরেশতারা ও না!
মনে রেখো, আমাকে
ইগনোর করেছো বলে
কবরেও তোমার শান্তিতে
থাকা হবে না!
হা হা হা!

রিভেঞ্জ ২
একদিন আমাকে করা
সব অপমান
পুঙ্খানুপুঙ্খ ফিরিয়ে দেবো!
পেটে লাথি মারা
গায়ে হাত তোলা
আমাকে ছোট করা
আমাকে নিয়ে ব্যঙ্গবিদ্রুপ
টুটি চেপে ধরা
আর প্রতিটা গালি
যেভাবে আমাকে দিয়েছিলে
ঠিক তার দ্বিগুণ
বুঝিয়ে দেবো কড়ায়গণ্ডায়!
তোমরা কাঠগড়ায়
থাকা আসামী হবে
সেদিন আমি লয়ার
আমিই ধর্মাবতার;
তোমরা শুধু তাকিয়ে থাকবে,
হা করার ও শক্তিটা থাকবে না।
মনে রেখো!
আমি তোমাদের
আশির্বাদ করলেও
তোমাদের মনে হবে
গালি দিচ্ছি!
কেননা তোমাদের পূর্বের
পাপ তোমাদের পীড়া দেবে।
তোমরা আষাঢ়ের গাছ
আমি গ্রীষ্মের প্রখর তাপদাহ
একদিন শুকিয়ে যাবে
গ্রীষ্মের প্রখর তাপে!
জানি তো একদিন
তুমি ফিরে আসবা;
অথচ আমি এমন
ভাব ধরবো যেন,
তোমারে আর চিনিই না!
আমি অন্যদিকে তাকিয়ে
সিগারেট ফুকতে ফুকতে
বলবো,
“যান বিজি আছি
আন্টি পরে আসুন!”

ব্রেকআপ
এক।
চলে যাচ্ছে প্রেমিকা!
দুই।
ডাকে কালো কাক।
আবার আসতে হবে ফিরে ধরে রোড ক্যানভাস।
বিপদ সংকেত!
বিপদে তোমারে
আগলে রাখার অভ্যাস,
ছাড়তে পারিনি,
সেফিটি শত্রুর ও প্রয়োজন।
বলি একটু বোসে যাও তবে
কত পাওনা রয়েছে ;
এখনো বাকি, না সুধরে যেতে হবে।
কাক ডাকা শেষ হলে চলে যেও
দাবী নেই আমার।
যা ছিলো দাবী যত পাওনাগণ্ডা
সব তড়তড় করে বাড়তেই ছিলো।
পৃথিবীর বাঁকে
খোলা ক্যানভাসে
দাবীর মিছিল ছিলো সক্রিয়!
যতটা ভালোবাসা পাওনা ছিলো তোমার
তার চে ঢের বেশি দিয়েছি
কাক ও ময়ূরের দল চাক্ষুষ সাক্ষী!
ইর্ষান্বিত হয়েছিলো ওরা
দেখে দুজনার প্রেম
শেষমেষ কার ভুলে কে জানে
বিচ্ছিন্নতা গ্রাস করে আমাদের
সুখ নেই সবার কপালের লিখনে
পৃথিবীই মরে যাবে,
আর আমাদের প্রেম কোন হরিদাস পাল হে?
কিছুটা সময় যদি হয়
এক কাপ কফি খাই চলো।
হাত ধরে না হোক
দুজন-দুজনার দিকে তাকিয়ে না হোক,
দৃষ্টি নিম্নগামী করে হলেও।
শেষ দাবী।
সব দাবী।
দাবী সব;
পূরণের মতো সাধ্য কী আছে তোমার?
জানি নেই –
তবুও চলো, এক কাপ কফিইতো খাবো।

তিন।
শেষকথা, কত স্মৃতিগাঁথা।
কত কথা শেষে কাক ডাকা শেষ হবে জানে কে!

চার।
কাক ডাকা শেষ!
যাও! রোড ধরে চলে যাও ফিরে চেওনা;
যত ছিলো পাওনা;
তা ফিসাবিলিল্লাহি আফওয়াজা…

পাঁচ।
চলে গ্যালো প্রেমিকা!
যতদূর তাকালে দৃষ্টিক্ষীণ হয় ততদূর তাকিয়ে ছিলাম!
নাহ! চলেই গ্যালো ফিরে তাকালো না!
চলে গ্যালো প্রেমিকা
কাঁদছিলো মেঘমালা
ছোট দু চোখে কাঁদছিলো শালিক
কাকেরা সব
ডাকছিলো অলক্ষুণে ডাক
কাঁদছিলো আমার শক্ত হৃদয়
সে কাঁদছিলো কিনা জানি না!
ভাবি। ভাবতেও কষ্ট হয়; আর কোনদিন কথা হবে না!
এক সাথে কফি খাওয়া হবে না!
শিট! চলে গ্যালো প্রেমিকা ;
আর দেখা হবে না!

আননোন
জলের মধ্যে বসত করে
কিন্তু জলেতে তার বাড়ি না
নীলাকাশে ওঠে কিন্তু
আকাশের সে চাঁদ ও না।।
ও আকাশের তারার ফাঁদে
রোজ রাতে সে যায় হারিয়ে,
যায় হারিয়ে মেঘ মালাতে।
মেঘ মালাতে হারিয়ে যায়
কিন্তু মেঘের দেশে বাড়ি না।
আমার মাঝে দ্যাখো যারে
হেসে ওঠে, কান্নাকরে
এমন করে রোজ করে যে
এত ব্যথা
এক নাগাড়ে
হৃদয়েতে পূঁজি করে
হার্টের ঠিক বাম পাশেতে
জোরসে কষে লাথি মারে
দুহাত দ্বারা
কলজে ছেড়ে
পুঁঞ্জিভূত সকল আশা
ছিড়ে ফেলে ফূর্তি করে
আমার মধ্যেই বসত করে
অথচ,
আমার শরীরে তাঁর বাড়ি না।

সন্ধ্যেবেলা রোজ আকাশে
যারে তোমরা চাঁদ হিসাবে,
উঠতে দেখো
তার হৃদয়ের ক্ষত দ্যাখো
আকাশ থেকে কষ্ট মালা
তাঁর হৃদয়ে নাজিল হলো
আকাশেতে থাকে সে চাঁদ
কিন্তু আকাশে তাঁর বাড়ি না।।
আমরা যখন হাসি খেলি
ঐ বিধাতা আকাশপানে,
খন্ড কালো মেঘরে বলে
মেঘরে যে সে হুকুম করে
মাথার উপর বৃষ্টি ঝরাও,
বৃষ্টি ঝরে গাছের পাতায়-
জয়জয়কার গাছের মাথায়,
গাছেরা সব পাতায় পাতায়
যৌবনের ও উদ্যমতায়
খলখলিয়ে হেসে ওঠে,
আবার যখন বৃষ্টি থামে
গাছেরা সব কান্না করে,
রোজ সকালে সূর্য ওঠে
বৃষ্টিরা সব শুকিয়ে গেলে
শুকনো পাতা মড়মড়িয়ে
চিৎকার করে, এক নাগাড়ে
চিৎকার করে প্রশ্ন করে,
বৃষ্টি কেন আসে না?
বিধাতা বৃষ্টি কেন আসে না?
বৃষ্টি হলো
সবাই আবার নতুন করে ভিজতে থাকে
সবাই কিন্তু খেলা করে
বৃষ্টি হলো, বৃষ্টি পরলো
আমার শরীর ভিজলো নারে,
ভিজলো না, ভিজলো না…..

পতিতার মতো
তুমি কী যে ছলনা জানো!
আমার বাগানে হও ঘাসফুল
কত নিষ্পাপ ভাবি
আর অপরের বাগানে হও রক্তকরবী!
হা হা হা…..
আহা আমি কী মহাবোকা,
তোমার অস্তিত্ব হারানোর কল্পনায়,
ঘাসফড়িঙরে তোমার শরীরে বসতে দেই না,
অথচ তুমি উলঙ্গ শরীরে রক্তকরবী হয়ে
অন্যের বাগানের শিশিরের ছোয়া নাও,
বৃষ্টিতে ভেজো
আর বিটলপোকার কামড়ে তোমার দেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়!
ফুল তুমি যার বাগানেই ফোটো আমার অাফসোস নেই,
তবে দুঃখটা এই যে অন্যের বাগানে
তোমার বেশ ক্ষতি হয়ে যায়,
পাপড়িরা ক্ষতবিক্ষত হয়, তুমি কল্পনাও করো না!
ফুল তুমি যার বাগানেই ফোটো,
আল্লার কসম তোমার ক্ষতি হয়ে যায়
এমন কোন বাগানে ফুটো না প্লিজ!

বালছাল
আমি এক বালছাল উড়ে চলি বাতাসে
কাকের ডানা ধরে চলে যাই বৃন্দাবন
কুকিল হয়ে ডাকি বোসে গাছের মগডালে
রূপকথার রক্তচোষা দুষ্টু বাদুড় রূপে মুখে খাই মুখেই পায়ু।
কখনো বা বিশাল প্রেমিক আমি!
কৃষ্ণের বাঁশি ধরি, বাজায়ে রাধারে ডাকি।
আসো রাধা, বোসো পাশে; গোপন কিছু কথা আছে,
আসো বোসে পান করে যাও মধুর নহর থেকে ধাবিত মধু
আজলা ভরে মধু পান করো
যমুনার ঘাট যদিও না দিতে পারি
সামনে বহমান পায়রা নদী
পা ডুবাবো ছোট নৌকায় বোসে
পান করবো নদীগহ্বর থেকে কাদা মাখা সুপেয় জল!
রাক্ষুসে তেষ্টা শেষ হয়ে যাবে কথা দিল্যাম।

ডারউইন
ডারউইন ভেবেছিলো অত সুন্দর একটা পাবদা মাছের ঠ্যাঙ গজালো
কালো পাখা গজালো
তারপর বিহগ আকার ধরে
উড়তে উড়তে সে কুচকুচে কালো কাক হয়ে গ্যালো!
কাব্যিক উপমায় কী সুন্দর অকবি ডারউইন হয়ে গ্যালো “বায়োলজি বুক অব পোয়েট্রি”র এক মহা দাপুটে কবি!
আমি যদি যদি বলি, হুতুম প্যাঁচা একদিন অলুক্ষুণে ডাক ডাকতে গিয়ে রূপ নিলো প্রেমিকাদের
তবে গালি দিবে প্রেমিকারা, গালি দিবে তাবৎ নারীবাদী!
অথচ পাবদা মাছের সাথে এটা অন্যায় হোলো কিনা?
স্যরি জীববিজ্ঞান উপমা দিতে জানে না!

অ্যালন
একা একা ভালো থাকা হয়না আর আমার।
একা, খোলের অভ্যন্তরে ভালো থাকে না ঝিনুক দিনভর।
মুক্তোর পাহারারত একা ভালো কাটেনা সময়,
খোল ভরা একাকীত্বে শুকিয়ে জলের মাঝে তার একা থাকার ভয়;
তাই জমিত মুক্তোর সাথে বার বার কথা কয়।
খোলের গভীরে কত জমানো বেদনায়
শ্রেষ্ঠ সময় সমূহ, ভালো থাকার প্রয়াস চলে;
ঝিনুক কান্নায় ভেঙে পরে হায়!
পানি শুকালে – খোল পূণরায়,
শুকিয়ে সে যায় –
ভালো থাকা আর হয় না!
রিপ ঝিনুক রিপ!

একা থাকে চিল, মেঘের ওপারে ডানা ঝাপটায়।
বয়োস বেড়ে গেলে, একা একা বাঁচে না চিল সঙ্গীর অভাবে
আর প্রাপ্ত মৌলিক চাহিদা সমূহের হীণতায়!
অমন নাদুসনুদুস অর্গ্যানে খাদ্যের অভাবে মারা পরে সে।
ঠোঁট ভেঙে যায়,
পাখা খসে যায়,
পূণরায় গজানোর অপেক্ষায়
ক্রমশ সে মৃত হতে হতে
একদিন মরে যায়।
মাছের ফসিল বলে ভুল করে জাদুঘরে কোন
অ্যান্থ্রোপোজনিক চিল রেখে দ্যায়!
একা থাকা জিন্দিগিই ছিলো তাঁর ভুলের।

হে হে
“প্রেম স্বর্গের এক সুরা”
বলেছিলো যারা
পা তুলে মুখ বরাবর
আমি তাদের সেলুট জানাই!
কবর থেকে টেনে তোলো ওদের
আর প্রেম করার সুযোগ ও দাও তাদের
শালাগণস উঠানো পরে যদি প্রেম করে
বারবার মরে যায়,
প্রতিবারই জীবিত করো
আর প্রেমের সুযোগ দাও
শালারা বারবার মরে যাক
সুরার দাপটে
বারবার পাক স্বোয়াদ দুনিয়াভি দোজখের।

ব্রেসলেট
১.
লাল ; হাতে ফিতের মতোন জোঁক দাঁড়িয়ে আছে শীর দাঁড়া উঁচু করে-মেঘ ছুঁতে চায়!
বাল! হতাশার প্রলাপ বোকো না।

২.
স্টিলের ব্রেসলেট, হাতে জড়ানো শাদা মাখন ;
এক সুখানুভূতি অথবা ক্রোন্দনরোল অর্গাজম,
যেন বিছানায় সুখ পেয়ে শিৎকারে মোহিত প্রেমিকার ভ্যাজিনার খোয়াব।
৩.
শাদা ব্রেসলেট; ঝংকার মেরে উজ্জল আলো হাতের ফাঁক থেকে ঠোঁটের শীর্ষে এসে,
প্রেমিকার জিহ্বা আয়ত্ত্বে পেয়ে আমি হয়ে যাই এক সাকার।
লেহন করো।
৪.
নীল ব্রেসলেট; বুবস! আমি এক মহা চোদু।
প্রেমিকার স্তন যুগল উঁচু পাহাড়ের মতো খাড়া হয়ে নিচে নেমে যেতে থাকে,
চর্বচোষ্য উপভোগ্য স্তনে আমি স্কেটিং করি।
৫.
গোলাপী ব্রেসলেট; গরম জবজবে প্রোমোদক ভগর তীব্র
আভাসে সত্ত্বায় আমি হই ফাকার!
৬.
শাদা-লাল ব্রেসলেট, ব্লোজবের সান্নিধ্যে এসে গলে ক্ষয়ে পরে
যেতে থাকে ধ্বজ পুঁজিত স্পার্ম।
হা……..হ্…….. সোনার ব্রেসলেট আমার!
৭.
সাদা, লাল, গোলাপী, নীল, স্টিল ব্রেসলেট ;
ছিড়ে যাক ভ্যাজাইনার পর্দা
ইচ্ছে চলে আসুক ভিষম বিষে,
কাটুক দিন ঋতুবতী প্রেমিকার সংস্পর্শে
এসে ঠোঁট দুটো কমলার কোষ ভেবে খেয়ে ফেলা,
ঢোক গিলে খেয়ে ফেলা বাসী থুথু
যোনী তড়তড় করে ফুলে ওঠে মৃদু আঘাতে আঘাতে এক অশ্লীল কাজ শেষে!
নিজের শরীরে দলা থু মেরে কেড়ে নেয় প্রেয়সীর ওড়না
বেলুনসম স্তন-যুগল চেয়ে থাকে ভাটা মৎসের মতো খালের কিনার,
যেন মাটির বুকে খাড়া পাহাড়, জেগেছে
অপার কুতুব মিনার!

ঈমান
উঠে এসো সাম্রাজ্যের শীর্ষ শিখরে যেখানে
মিল্কিওয়ের জিলাপির প্যাচ থেমে গিয়ে
নক্ষত্ররে ধরে রেখেছে ডার্ক ম্যাটার।
অধিষ্ঠিত হও তোমার সিংহাসনে, বসো উচ্চাসনে।
আহ্বান করো আমারে মনে মনে,
ওগো সাম্রাজ্যের নারী!
তোমা হতে আমার দূরত্ব হাজার বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে!
দূরত্ব কমাতে আমরা সময়কে থামিয়ে দেবো।
তোমার সাথে আমার দেখা হয়নি
আত্মা আমাদের রেডিও সেন্সর
আত্মায় নির্ভর করে,
তোমাতে এনেছি আমি পূর্ণ ঈমান।

সত্ত্বায় যৌনতা
প্রেম এই সুরার গেলাশে আজ মিশে যেতে থাকো;
চষক-গণিকা নাটুয়ার নৃত্যে,
এক ফাঁকে কামাভাব ভর করে কামাশক্ত শরীরে;
সত্ত্বার চাহিদা শুধু সেক্স!
গণিকার পুলকিত ভ্যাজিনা ছেদ করে তড়তড়িয়ে ওঠা অর্গাজম
শিৎকারে ছিড়ে ফেলা যৌনি যবনিকা
একদলা থু মেরে, পিচ্ছিল পিথিবীর অভ্যান্তরে শিশ্ন ঢুকিয়ে,
করি মানব ভ্রুণের চালান।
প্রেম তড়তড়িয়ে চলে আসে দেহে
ক্ষয়িত অনুভূতি ঘর্মাক্ত গতরে।
রাতের ঘুম।
আসো হানা দাও ক্ষয়িত যুগল আঁখি পল্লবে,
মিশে যেতে থাকো শয়ন বিভোর পোট্রেয়েটে।
কি নিদারুণ পিথিবীর সুখ!
হাহ! গণিকার শিৎকার কানে বাজে,
দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতায় আমি জেনে গেছি-
অর্গাজম নয়, ভান করে মাগীগণ চেঁচামেচি করে!
জরায়ু বলতে গণিকার যা রয়েছে তা একদমই ছাড়ানো ফলের খোসা!

আমারে দিয়া কি হবে মধুসূদন?

আমারে দিয়া কী হবে মধুসূদন?
না একটা লাইন পদ্যে খাটি
না খাটি কারো আর্চনায়
খর্ব কায়া নিয়ে
না খাটি একটা বিশাল পোট্রেয়েটে।
আমারে দিয়া কী হবে মধুসূদন?
আমি কলমের লম্বা আগা না
কবির গভীর পঙক্তি না
না আমি শিল্পের “শ” জানি!
এক ইতর বিশেষ গামছা কাঁধে
ক্ষুদ্র পৃথিবীর খালি জায়গারে নিস্ফল আমি পূর্ণ করি।
আমারে দিয়া কী হবে মধুসূদন?

ধোঁয়া
ও সিগারেটের ধোঁয়ারে
এই তাবৎ পৃথিবীতে তোমারে ছাড়া
মনের কথা কমু আর কারে?
কে আর আছে আমার? হ। তুমিই আছো।
একটা দৃশ্যপট কল্পনা করো
আমি আর আমার প্রেমিকা হাইটা যাচ্ছি
একটা খোলা রাস্তায়
একঝাক কাক আকাশে উড়তেছে লাউডলি সাউন্ডে।

এ ম্যান বোকাচোদা
অবয়ব দেখে ভেবোনা প্রেমিকা এসে গ্যাছে বুঝি
জড়িয়ে ধরার পর আর কাজ হবে না,
দীর্ঘপথ হেটে আসতেও পারে প্রেমিকার মা!
প্রেমিকার পুলকিত কানন দেখে তড়তড় করে
শীরদাঁড়া খাড়া করে প্রবেশ করোনা
ওখানে কুম্ভকর্ণের মেলা তোমার আগে
বসাতে পারে অন্যকোন সাধু
শেষে হবে তুমি মহাচদু!
হুহ! নিজের রূহের প্রতি নিজেরই বিশ্বাস নাই
তুমি আইছো মিয়া প্রেমিকা নিয়া?
বোকাচোদা বোকাচোদা মহাবোকাচোদা!

ঘেণ্যা
খোদার দুনিয়া দোলে
বিষম চোটে
পৃথিবীতে যা ছিলো সুখ
পিঁপড়েরা খেয়েছে চেটে।
পৃথিবীর যেদিকে তাকাই
সব শূণ্য-শূণ্য লাগে!
পৃথিবী ভাগ হয়ে যা
যত পাওনাগণ্ডা সব
মিটিয়ে দেবো
মৃত্যুর ইশারায়
মিটে যাবে যাক!
হাতে ধাঁড়ালো ছোড়া
আইপ্যাডে নোটবুক
সুইসাইড নোট লিখি কুটকুট
পৃথিবীর বুকে যত
জমেছিলো শোক
যারা ছিলো পাওনাদার
মিটিয়ে দিও সব
যত আছে দুর্ভোগ
জীবনের গুষ্টিচুদি
ধরে গ্যালো ঘেণ্যা!
ছ্যাঃ ছ্যাঃ ছ্যাঃ!
প্রথমে ছুড়ি ঢোকাবো
নিষ্ঠুর হার্টে
পৃথিবীর যত তেতো
নোনতা দুঃখের স্বাদরে
এই শালা হার্ট নিয়েছে আগে
কেটে কেটে নিজেকে
সাতশ সত্তর টুকরা করার পরে
মস্তিষ্ক নিষ্ক্রিয় হবে
চোখ বন্ধ হবে
টিকটিক আওয়াজ
থেমে যাবে।
পরে থাকবে আমার লাশ
ঘরের মেঝেতে।
পিঁপড়েরা আমাকে
চেটেপুটে খাবে।
একখণ্ড মাংস বা
একফোটা রক্ত
আর অবশিষ্ট থাকবেনা
কবরের মাটিতে
দাফনের মতো!
জীবনের গুষ্টিচুদি
ধরে গ্যালো ঘেণ্যা!
ছ্যাঃ ছ্যাঃ ছ্যাঃ!

স্বমরন
আসো বুকে ডিনামাইট বেঁধে
ঝাপিয়ে পরি দাহ্য আগুনে;
বিস্ফোরিত হওয়ার আগে আগে
ভাবি আমাদের দুজনার অর্গান
ছিন্নভিন্ন হয়ে আলাদা
একটিমাত্র সত্ত্বায় পরিণত হবে।

খোদার পৃথিবীর সব নিয়ম
আমরা পাল্টায়ে, একটি শরীরে দুটো আত্মা সার্জারি করে ঢুকায়ে দেবো!
আমাদের শরীরেরা হবে – একই আত্মার দুটো শরীর।

মৃতআত্মা
মৃত আত্মা পরতে পরতে জীবনরে খুঁজে পায়
জীন জীবিত হয় আর মৃত্যু হয় কশেরুকায় মেঘমালার
বিলিয়ন বৎসর আগের মৃত আত্মারা সেই জীবিত হয়েছে কবে
নীল আকাশে তাদের অস্তিত্ব দেখা যায়!

তোমারে যে জানা হোলো না
।।১।।
এই যে রাত দীর্ঘ একটা পার করতেছি
নির্ঘুম, স্বপ্ন আর ধরা পরেনা চোখে; দীর্ঘ সময়েও
তুমি এই আসো সামনে আবার হারিয়ে যাও ইল্যুশনের অতল গহ্বরে!
ছুই ছুই পানিতে তোমারে মাছরূপে দেখি আবার লাফ দিয়ে কই যে হারিয়ে যাও ঘাসফড়িঙ!
পা গজিয়ে যায়!

।।২।।
আমি গুহার বাদুড় হয়ে বেঁচে আছি
রাত কে আমার সহ্য করতে হয় শরীরে গজানো পুঁজযুক্ত ফোঁড়ার মতো।
মস্তিষ্কে জমিত নিকোটিন
ও জ্বলন্ত সিগারেটে ধোয়ারে…. আসো তোমারে
তাক করে কামানের গোলার মতো রাতের কুয়াশারে ঘোলা করি।

।।৩।।
অনুগ্রহ করে তোমার যাপিত দীর্ঘকালের যবনিকা খোলো,
সামনে মহাকাল, পেনসিলে আঁকা স্কেচ। আর ছায়ার ওপাশে তোমার মুখ
আমি দেখতে চাই!
দেখতে চাই আমি!
আমার দীর্ঘশ্বাসের কারণ হয়োনা প্লিজ!
আমার একেকটা দীর্ঘশ্বাসের ওজন কত জানো তো?

।।৪।।
আশ্লেষ ঝরাপাতা শিশিরেরে জানে দীর্ঘ সময় পরেও;
দীর্ঘ সময় দূরে থেকেও তাঁরা কাছাকাছি হয়।
আফসোস আমরা দুজন দীর্ঘকাল একই ডালে বাসা বেঁধে ছিলাম
একটা মুহূর্তকাল ও দূরত্বে ছিলাম না যেমন একটা মানুষের কাছাকাছি হার্ট থাকে।
অথচ কস্মিনকালে ও একে অপরের মুখ দর্শন করলাম না, আত্মারে জানলাম না!

টাউটার
শ্লেষ ভরা কন্ঠে টাউটাররা বলে, সোনার বাঙলায় কাক তুলনায় কবি বেশি!
আমি টাউটাররে কথার প্যাচে একটা থাপ্পড় মাইরা কইলাম,
রাস্তায় বসা নেড়ী কুত্তাটাও একটা কবি।
তোমরা তাঁর কবিত্বসত্ত্বা দেখতে পাও না বইলা তোমরা কবিতার বাল ও বুঝো না।
শ্লেষভরা কন্ঠে টাউটার এগেইন কইলো, কাউয়া এখন কবি!
আমি তখন আমার কবিতারে জিগাইলাম “ও কবিতা, তুমিই কও আমি কাউয়া না কবি?”
আশ্চর্যভাবে আমার কবিতার জবান খুইলা গেলো জুনিয়র যিশুর মতো!
জুনিয়র যিশু সাদৃশ্য আমার কবিতা কইলো,
“হ হ হ ক লেখলেই কবিতা
কাউয়া কা কা করলেও কবিতা
কোনটা যে কবিতা আর কোনটা যে কবিতা না সেইটা আমি কবিতা নিজেই জানিনা!
অতএব তুমি কবি না কাউয়া সেইটা ডাউট করতে পারতেছি না!
তবে আমার ভাষায় তুমি কালা-শাদা কাউয়া।
যাও ডালে বইসা কা কা করগে।”
অবশেষে নিজের কাউয়া পরিচয় পাইয়া
আমি আমার কবিতার খাতা পুড়াইবার সিদ্ধান্ত নিলাম।
স্পষ্টত দেখা গ্যালো, টাউটাররা তাগো কালা দাঁত বাইর কইরা হাসতেছিলো!

রোড
ও অজিলা এই রোডের শ্যাষ কই, তুমি কী পথরে খোঁজো?
দুইটা হৃদয় যখন একসাথে সঙ্গমে মাতে;
সংগত কারণেই তখন পথ বা সময়ের মৃত্যু ঘটে।
ও অজিলা পথিক তুমি
যাইতে হবে তোমার অনেকদূর
শীর্ণ বসনে
তাকিয়ে থাকো চাঁদের পানে
হাটতে থাকো নির্দিষ্ট একটা দিকে
যেখানে চাঁদ থেমে যাবে
তোমার সাথে আর চলবে না
সেখানেই তোমার পথের মুখ
হাটতে থাকো…
সঙ্গম থামাও…..
প্রেমিকের দৃঢ় শিশ্নের মায়া কাটিয়ে
উঠে দাঁড়াও আর চলতে থাকো।
সময় হওনের আগে যাইতে হবে তোমার!
কাব্যিক গালাগালি~
অনেকদিন যাবৎ তোমারে দেখি,
অথচ কিছু বলতে পারতেছি না চুৎমারাণী!
কী একবালের চেহারাখান ফুটায়ে সেই যে গেলা গা
সেই থিকা চুদির ভাই মনটা খেলতেছে বালের প্রেমের খেলা!
তুমি একটা বাজে ছাই রঙের ড্রেস পইরা আসলা
দেখতে বালের মতো অথচ আমার ভালো লাইগা গ্যালো!
তুমি হাসতেছিলা মনে হইতেছিলো ভেটকি দিছে বোয়াল মাছে,
অথচ আমার মনে হইতেছিলো যেন গোলাপ একটা ফুইটা আছে গাছে।
তুমি গাইতাছিলা গান কাউয়ার কন্ঠে
কিছু পাতিশৃগাল আমি হাটতে দেখছি তোমার আশেপাশে,
অথচ আমার মনে হইলো যেন
বসন্তের কুকিল সকালের ডাক ডাকতেছে
আমাগো কাঠবাদাম তলায়!
আমি তোমার মাঝে প্যাঁচা দেখতে গিয়া শালিখ দেখছি
কাউয়া দেখতে গিয়া দেখছি ময়ূর।
আসলে এইসব বাল ও না, এইসবরে বলে শাউয়ার ভালো লাগা।
আর তোমারে ভিন্নরূপে দেইখা আমার ভালো লাগা থেইকা জাগ্রত হইছে শাউয়ার প্রেম।
আফসুস তোমারে বলতে পারি না।
লজ্জা নিজের কাছে পাই না
অনবরত খিস্তি করে যেতে পারি
খোলা ময়দানে ল্যাংটা হোয়েও হাটতে পারি,
অথচ তোমারে যে ভালোবাসি;
এইটা বলতে আমার হাটুতে-হাটুতে কাঁপুনি ধরে!
কী একটা আমার বালের কপাল
শূণ্যে ভাসা তোমার স্তনযুগল
এর মতো গোল!
গালিই দিবো তোমারে
আমার মনের অসুখ যেহেতু তোমার হেতুতে,
আসো প্রাপ্য সম্মান তোমারে দুইচা দিতে থাকি বাল
আমার কপাল
ঢাইকা আছে মেঘের মতো কালা
চুলে বালে একাকার!
কী এমন জাদু জানো যে এই রাইতের ব্যালাও তোমারে মনে কইরা আমি কাঁদতাছি চুৎমারানি?
সিনালেরে সিনাল আর মাগীরে মাগী কইতে পারাটা আমার স্বার্থকতা আমি জানি।
তোমারে এত ভালো লাগে ক্যানো শাউয়া?
ভালো লাগে লাগুক আবার প্রেম জাগ্রত হইবে ক্যানো বাল?

মাআসসালাম
মা আসসালাম।
প্রেমিকা ক্যামন আছো?
আলহামদুলিল্লাহ্ কওয়ার মতো আশাকরি ভালো।

এই পার্কটা ক্যামন?
লাগে তোমার।
আজ বসেছি এ পার্কে দুটো পাখি
আসো ডিমে তা দিতে দিতে বলতে থাকি
বিভিন্ন কথা
কিংবা দিতে থাকি চারপাশের উপমা।

।।জবা।।
গাছে গাছে লাল জবা ফুটে আছে, সুন্দরী বউ,
জবারে আমার লাগে ভালো এত ভালোবাসা ধরে জবার পত্রে গৎবাঁধা যৌবনের ঢেউ!

জবার গন্ধ নাই অথচ কত নিজে ধরে;
সৌন্দর্য ডালের মাথায় বসে আছে খোপা মেলে বৈশাখে সেঁজে আসা শালিখ;
সাদৃশ্য দ্যাখো কত সুন্দরী জবা সাজায় তোমার খোপারে!

মনে হয় যেন প্রেমিকা রাধিকা শাড়ি পরে কাঞ্চন বালা সমেত
বসে আছে কুঞ্জু বনে প্রেমিক কৃষ্ণের আশায়!
যেন মিস্টি লাল সুন্দরী টুনটুনি বার্ড ডানা দুটো মেলে
দিয়ে লাল অন্তর্বাস ঢেকে বসে আছে নিজের বাসায়।

।।পার্ক।।
এইযে খোলাম্যালা পার্কটা দ্যাখো
মুখরিত কত কোলাহলে,
কোমল পরশ তবুও মহুয়ার ডালে।

প্রেমের পরশে নিস্তব্ধ পার্কের প্রতিটা গাছ
অশোক গন্ধরাজের গাছে ছুঁয়ে যায়
পূরবী হাওয়া।
গাছগুলো মহুয়া ফুলের শুভাসে মাতাল
যেন পৃথিবীর বুকে মদ্যপ্রবণ রাজা বুক উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে আছে
পৃথিবীর কাছে তার অগণিত চাওয়া!

হাহ দ্যাখো প্রেমিকা কত সুন্দর এই পার্কটা লাগছে আজ!
কংক্রিটে সাজানো একেকটা পট্ট
চলো কংক্রিট ঘেষে বোসে পরি।
খোলো তোমার শাড়ির ভাজ।
ডিমে তা দেও।

।।সাদা শুকনো ঘাস।।
দ্যাখো কী নিদারুন সাজে সেজেছে
এক কোণে পরে আছে থকথক।

কাকা জাহাঙ্গীর আলম
ও কাকা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম
আপনার বাড়ির সামনে শুকাইতে দিছি আউশের ধান,
গন্ধে মঁ মঁ আপনের বাড়ির উঠান
যদি চান মুষ্টি ভরে চাবাইতে পারেন সেদ্ধ সুস্বাদু ধান।
কাকা আপনের আল্লার কছম
একটু তাকায়ে দেখবেন যদি পারেন।
আমার ধানে বইসতে পারে শালিকের ঝাঁক,
বা লাল মুরগের পাল, হাঁস কিংবা নয়াল বাছুরে,
মুখ দিতে পারে আমার ধানে।
কাকা যদি পারেন, আমার ধানের
কিঞ্চিৎ কালের জন্য জিম্মাদার হয়া যান পিলিচ!
কাকা মুচকি হাইসেন না! এই ধান থাইকা আসবে চাল,
চাল থাইকা বুটবুট শব্দে আপনের চুলায় ফুটবো নুতন চাইলের ভাত/ জাউ।
নারকেল কোড়ায়া নতুন কাটা রস দিয়া আপনে তা খাইবেন লোকমায় লোকমায়।
অথবা খাইতে পারেন ধুমা ওঠা পিঠা
কাকা সাবধান লস কইরেন না কিঞ্চিৎ
যদি চান খাইতে আউশের নুতন ফ্যান
তবে আমার ধানে নজর দেন।
কাকা পিলিচ! যদি মুরগের পাল দেখেন, পিটায়া ভাঙবেন ঠ্যাঙ,
আমরা মুরগের গুশত দিয়া ভাত, জাউ আর শিন্নি খাব।
গরুর ছানা দিবো পাশার খোয়ারে
কাকা আমরা পকেটে ভরুম মাইনষের টাকা
দোকানেত আইসা খাবো কাঠ বিস্কুটে ভিজায়ে কড়া লিকারের চা!
কাকা আপনার যদি মনে লাগে সোয়াদ তবে এক মুষ্টি ধান হাতে চাবাইতে থাইকেন!

হাবীবি
ইয়া হাবীবি
তুমি চাঁদের বিবি।

ডেথড্রাঙ্ক
অর্ধশত বছর আগে আমি মরে গেছি
সেদিন আমার দেহ কে বাইন তালাক দিয়েছিলো ধৃষ্ট আত্মা!
আমি মরে গিয়েছিলাম সেদিন অহেতুক
প্রেমিকার পাতা ডেথ ট্রাপে,
আমার আত্মার সাথে মৃত্যুর কোলাকুলি হয়েছিলো!
আমার জানাজা পড়ায়েছি নিজে,
কাঁধে তুলে সাড়ে দুইমণ এর লাশ
পূবের গোরস্তানতক নিয়ে গেছি।
কবর খুড়ে মাটি চাপা দিয়েছি নিজেই নিজের দেহ,
পদদলিত করেছি নিজের খোমা যতক্ষণ না
একটু বাতাস ঢোকার ছিদ্র থাকে কবরে।
জানি তোমাদের বিশ্বাস হবে না, আমি মৃত সত্ত্বা
আমার দেহের প্রত্যেকটা অনু পরিমাণ পিশিত, আমার আত্মা
মিশে গিয়েছিলো মহিরূহের খাদ্যের যোগানে।
আমার জানাজা দাফন, ছওয়াল জওয়াব হয়ে গিয়েছিলো অর্ধশত বছর আগেই!
এখন একটা খোসা হিসাবে আমার অস্থিসমূহ পৃথিবী ব্যেপে
তোমাদের অনুভূতি গ্রাহ্য করে ঠিকই-
অথচ সেইম অনুভূতিতে সাড়া দেয়না,
অ্যাজ ইট অয়্যার অ্যা ডেথ-ড্রাঙ্ক!
মহিরূহের প্রতিটা শিকড় জানে
তাদের হিউমাসের যোগান দিয়েছিলো আমার পচা ক্ষয়িত দেহাংশ!
আমার অস্থিসমূহ, যদিও আরো এক কুটি বছর বেঁচে থাকে,
একে জড়বস্তু ছাড়া কিছু ভাবা যাবে না-
যেহেতু আমার আত্মা মৃত,
সেহেতু আমাকে তোমরা জীবিত বোলো না!

লাশ
লাশের মিছিল দ্যাখো প্রতিটা মেইনরোডে
স্তূপ জমে আছে পঁচাগলা লাশ
কেউ বা দাবী আদায়ের হেতুতে
কেউ বা মরেছে সরকারের রোষে।
খেতে না পাওয়া শীর্ণ দেহ যারা মরে পরে আছে,
ওঁরা বজ্রকন্ঠে তেতে বার বার বলে উঠছে,
“আমাদের খাওন কই? খাওন দে নতুবা মন্ত্রীর চেয়ার দে চিবিয়ে খাবো!”
গুলি খেয়ে যারা রাজপথে মরে পরেছিলো,
ওরা লবন মেখে পারুদ সমেত বুলেট চিবিয়ে খাচ্ছে!
প্রাণহারা এই পাখিগুলো একটু অধিকার নিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলো
কে জানতো পৃথিবীতে অধিকার মানে গুম হয়ে লাশ হয়ে যাওয়া?
কে জানতো অধিকার মানে বেওয়ারিশ কাঁটাতারে ঝুলে মরে যাওয়া?
কী আশ্চর্য! আমার অধিকার, আমার ক্ষিধা,
আমার তৃষ্ণা আমারেই লাশ বানায়!
ঝুলিয়ে রাখে বেওয়ারিশ লাশ করে রাস্তায় কিংবা ড্রেনে
ও ক্ষিধা তুমি নিজেও গুম হয়ে যাও!

ভ্রম
আর যতকাল আমার ভ্রম হবে খুঁজে নিতে মায়ার প্যাটার্ন থেকে তোমায়,
তুমি জেনে রেখো; তুমি ততকাল মায়ার গভীর প্যাটার্নে অগভীর কাদাজল
আর আমার পচত্বপ্রাপ্তির দীর্ঘ সময় পর-
কাদা-জল এক করে টুটাবো নিরেট সে প্যাটার্ন!

বিণয় বা ভদ্রতা
আমারে খাইছে মেঘ
বিণয় নামের ভূতে
তাই সাদা সাদা কাশফুলেরা
কালো মেঘরে চুদে।
বিণয় আমায় আমি বিণয়রে
বাসর ঘরে ডাকি
একসঙ্গে আমরা দুইজন
অশ্লীলতায় মাতি।
গোস্বামী গোস্বামীর বিণয়
দিল বরাবর কোপ
রাধিকারে ভালো লাগলে
লাগে ভালো তাঁর ঠোঁট।
তামাক পাতা গ্লাস ভরা শারাফ
তামাম অন্তরের খোড়াক
রামের সীতা সীতার রাম
রাবনের লোভ গৎ বাঁধা যৌবনে
রামের সীতা রাবনের চোখ
তাকায় সীতার যৌবন পানে।
সাদা বোরাক তুলার মতো সাদা,
তুলার মতো বোরাক
পিঠে চইড়া উইড়া যাবো
রাধার বৃণ্দাবন।
চোখের পাতায় একেকটা প্রশ্ন
রামের ভ্রাতা লক্ষণ
যুবক ভ্রাতার সুন্দরী পত্নি
লক্ষণের কী ভালো লাগে না সীতার যৌবন?

দুঃখ
বিরহ যার রয়েছে পরন্ত বিকালে
রোমান্থিত স্মৃতিরা যাকে
প্রতিনিয়ত ধর্ষন করে যায়,
অতি আগ্রহে আর হারানোর বিরহে
ধীমান কচ্ছপ হয়ে খোঁজে সমুদ্দুর শ্যাওলা।
যে নিজেরে খুঁজে পায় না প্রণয়ীর আঁধারে
তারে তুমি কিভাবে বলবা যে, “দুঃখ পেয়ো না?”
হভাই!

জাবর টোয়াকিং
বালকেরা দলবেঁধে দৌড়াতে লাগলো উঁচা পাহাড়ে
কাউয়া দুইটা উড়তেছিলো পাহাড়ের সীমানায়
বালকের দলদের ছিলো কাউয়ার ডাকে ভয়!
কাউয়া ডাকা সমূহ বিপদ কাউয়া ডাকলে
ভাগ্যের ফেরে গোয়া মারা যায়!
তাইলে কী আর পাহাড়ে উঠমুনা?
বালকদ্বয় খালি ভাবে।
তাঁরা ভয় তাড়াইতে জোড়সে জিপার টেনে
হিসহিস শব্দে মুইতা দিলো কাকের দিকে তাকায়।
এমন মুতের বেগ যে পাহাড়চূড়া ও ডোবে,
মুতের বেগে জোড়া কাউয়া পাহাড় থিকা দূরে
জোড়সে বেগে উইড়া গ্যালো কা কা কা রবে!
বাঁইচা গ্যালো জোড়া কাউয়া উইড়া আচমকা,
বালকের দল এমনই পটু-মুইতা সড়ায় শঙ্কা।
জোড়া কাউয়া আপত্তি জানায়,
অন্যায় করছো অন্যায় করছো ওহে বালকদ্বয়
আমরা অহন বিচার দিমু রাজার দরগায়!
মাফি মাঙলো বালক সকল
কার বালে কে শোনে?
উইড়া গেলো বাল-উল্টা কাউয়া প্রসাদপানে নালিশ জানাইতে।
জোড়া কাউয়া উইড়া গিয়া নালিশ ঠুকলো রাজার দরবারে,
রাজাসাব ওহে শোনেন একখান বাত
বিচার চাইতে আজকা আসছি আপনার বরাত!
কইলো রাজা, বলো কী হে কাক?
অভিযোগ বইলা ফ্যালো কিসের কিবা হারিআপ।
কইলো কাউয়াদ্বয়,
মহারাজ মহাশয়!
কিছু বালক মুইতা দিছে আপনার সীমানায়
মুতছে আমাগো গায়
কইছে তাঁরা মুতের এত পাওয়ার
যেন বিশাল জলোপ্রপাত!
আপনে নাকি কইলে কিছু
মুইতা ভাসাইবে আপনের রাজপ্রসাদ!
ফুলেফেপে রাজামশায় বালকদ্বয়দের ডাকে
নিষ্পাপ বালকদ্বয় গোমড়া মুখে আসে!
বালকদ্বয়দের দেইখা রাজা হইলেন তেলে বেগুন
গৌমত্তা সাব ধুতি জাগায় দেখতে পাইলো
রাজার হোগায় রাগের আগুন!
কইলেন রাজায়, ওহে বালকদ্বয়!
কাউয়া যদি ডাকেই, ধাজ লাগে ক্যান তোমাগো শাউয়ায়?
কাচুমাচু মুখ বালকদের রাজায় পাইয়া সুযোগ,
সব বালকের গর্দান নিতে হুকুম ফরমায়!
বিপদে তাগোর মুতার অভ্যাস রাজায় তা না জানে!
বালকদ্বয় জিপার খুললো চাইয়া আসমান পানে।
উপায়হীণ বালকেরা।
মুইতা দিলো তাঁরা,
সামনে ছিলো যারা,
ভাইসা গ্যালো সব শালারা;
পেছনেও ছিলো যারা!
ভাইসা গ্যালো উজির-নাজির
ভাইসা গ্যালো সেনাপতি
যতো ছিলো পেয়াদা,
ডুইবা মরলো রাজকবি,
মুত স্রোতে ঢোলপেট হইলো
রাজার পোষা বুদ্ধিজীবি!
মুতে ভাসলো মন্ত্রীর চেয়ার।
মুতের সমুদ্রে ডুইবা মরলো স্বয়ং মহারাজ,
তিনশো কিলো দূরে ভাইসা গ্যালো রাজার রাজপ্রসাদ।
বিপদ বুইঝা দুইটা কালো কাউয়া উইড়া গিয়া
কই গ্যালো যে কে তাঁগোর আর পায়?
কাউয়া গিয়া উইড়া বইলো ডেউয়া গাছের শাখায়।
মরলো রাজা, গ্যালো রাজ্য মুতের সাগরে
সমস্যার মূল উড়াল জানা কাউয়া দুইটা ফাঁকে বাঁইচা গ্যালোরে!

ঘুঘু
আমাকে একটা ঘুঘু ভাবো
পশমের নিচে উদগ্র মাংসালো কলবের
উড়ে উড়ে চলে যাই দূরে
নিজের আয়ত্ব ছেড়ে দূর পাহাড়ে।

মাতাল
মিডনাইট একটা মদের বোতল হাতে
একেকটা সিগারেট যেন বন্দুকের গোলার মতো
আমি এক মধ্যরাতের বন্দুকবাজ। ধুমা উড়ানিই আমার কম্ম!
জানালাগুলো খুলে দিলাম
অথবা হাতে থাকা মদের বোতল ফিকা কাঁচ ভেঙে ফেললাম।
স্বাদ নিলাম উন্মুক্ত শিশিরের ; ছাদ দিয়া লাফায়ে বইসা
খাড়া হয়া যাই উন্মুক্ত শিশিরের উদম দেহে।
অনুভূতিতে জানালা ভাইঙা সবুজ ঘাসের
মাঠে কল্পনার অর্ধচন্দ্র হিসাবে
অন্ধকারে খেলা করে শাউয়ার বিরক্তিকর জোনাকি।
যেন সতেরজন তাগোর পুটকি মারছিলো
এবা কইরা জোনাকির হোগা টিপটিপ কইরা জ্বলে।
তারা টিপটিপ কইরা জ্বলতেছিলো মাঠে আমি
বিরক্তি নিয়া তাকায়া থাকি আর মনে মনে বলি,
পাইলে হাত দিয়া টিইপা মারুম শাউয়ার জোনাকি।
হঠাৎ দমকা বাতাস বইসা যাইতে থাকলে আমি
পোতায়া গেলাম দুই নাম্বার প্লাস্টিকের মতো।
যেন জোর করে কেড়ে নেয়া বাতাসের চাদর পাতা মাঠ
ঝড় হয়েছিলো গত পরশু
পীযূষ পান করে আসা বেহেশতি নমুনা।

কুকিল
কুকিল একটা উটকো পাখি, কুচকুচে কালো তারোপর কুকিল বড্ড কুটিল!
সে কাকের বাসায় ডিম পারে আর কাকের বাসায় তাঁর বংশ বিস্তার হয়।
অামরা কনভার্টেড কুকিলকে মানবরূপে আলআকসার সামনে অস্ত্র ধরতে দেখি
যারা নিজেদের বড় করে গড়ে তোলে কাকের বাসায় আর
বড় হবার পর দয়াময় কাকের সে কলজে ছিড়ে খায়।

কান্না করেছি আমিও
প্রতিক্ষারত আমি একদিন কেঁদেছিলাম বিষন্ন সন্ধ্যায়
নাহ আমার আর ভালো লাগে না পৃথিবী!
একটা বয়োস আসার পর আমার রুহ এর বৈচিত্র্যতা এসেছে
আমার কেন যেন মনে হয় পৃথিবীতে আসা আমার বৃথাই ছিলো!

না
ধরো আমাদের পথ খোলা ছিলো
কোন ক্রমে আমরা দৌড়ে পালালাম।
কই যাবো?
লাফ দিয়া বৃন্দাবন
হিমালয়
আফ্রিকার বন
কিম্বা অ্যামাজন?
না!
ইয়াদ নাই।
আমার হাতের বদলে দুটো শক্ত ডানা নাই, উড়ে যাওয়ার স্বপ্ন বৃথা।
তবুও মনে কর একভাবে গেলাম।
যদি অ্যামাজনে যাই তবে খাবো কী?
আমি কী বিয়ার গ্রেইল নাকি যে, দলা পাকানো কেঁচো খাবো?
না!
ইয়াদ নাই।
সম্ভব না।
জানো তো, মিলনের চে খাওন বড়?
আবেগের চে জীবন বড়!
তোমারে নিয়া আমি আবেগে পলায়া যাবো
গিয়া বড়জোর কী করবো?
আমরা মিলনে লিপ্ত হবো হরহামেশাই।
পথ ভরা মৃত্যুর থাবা,
অথচ ভালোবাসতে হলে বাঁচাটা প্রয়োজন।
পথে ক্ষুধা-তৃষ্ণা পেলে আমি তোমার গোশত চাবায়ে খেতে পারবোনা!
আমরা বাচ্চাকালে প্রশ্ন করতাম “ক্ষিধা বড় না চোদা বড়?”
অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে আমরা মেনে নিতাম “খাওয়া!”
পাখি! ক্ষিধা পেটে চোদার আর আগ্রহ থাকে না হাহা!

শে
আমার সামনে একটা দীর্ঘতম মাঠ ছিলো।
দীঘল দীঘি ছিলো।
আর ছিলো একটা সফেদ গম্বুজ।
গম্ভুজটি অবিকল যেন কুমারী নারীর স্তন যুগলের মতো
খাড়া ছিলো কারো হাতের স্পর্শে।
গম্বুজের চূড়ায় একটা শালিক বসা ছিলো।
উড়তে উড়তে শে ছিলো ক্লান্ত পথিকের ন্যায় দিশেহারা!
আমি জিজ্ঞেস করলাম ও শালিক তোমার সে কই?
ভাগ্যক্রমে শে ছিলো একটি বোবা শালিক।
যথাক্রমে শে ছিলো অন্য বোবাদের মতো রূপসী শালিক।
শে কোন কথা না বলেই সংকীর্ণ ডানা ঝাপটায়ে,
দীর্ঘ পথ উড়াল দিলো চিলের সাদৃশ্য।
হ্যালুসিনেশন!
দীর্ঘপথ উড়াল না দিয়ে শে সামনের দীঘির ফটিকজলে
তাঁর পাখনা খুলে নাইতে নামলো।
তার পরনের শেষ অঙ্গরুহ খোলাতক আমি তাকিয়ে ছিলাম।
শেষতক উলঙ্গ শালিক জল ঠেলে ঠেলে সেড়ে নিয়ে দীর্ঘ মাঠের
ও প্রান্তের গাছে উড়ে গেলো পবিত্র গোসল।
আমি দীর্ঘ মাঠের দিকে দৃষ্টিনিক্ষেপ করে তাকিয়ে ছিলাম
যতক্ষণ দেখা গ্যালো অঙ্গরুহ অনাবৃত উলঙ্গ রূপসী শালিক।

শ্যামলীর চটিগপ্প
যদি মিথ্যেয় ভর করা “শ্যামলি”র গল্পে
তোমাদের ভালোবাসায় ফাটল ধরতে থাকে
আর নীল আন্তরীক্ষ কালো মেঘে ছেয়ে যায়,
তবে তোমাদের সে ভালোবাসায় ঘাটতি ছিলো।
যেমন মেঘযুক্ত আকাশের বরাবর ফাঁক দিয়ে
বৃষ্টির খেলা খেলা ভাব হয়, কিন্তু বৃষ্টির দেখা নেই!
জানি একদিন তোমাদের প্রেম ভেঙে যাবে,
আর মন ভাঙবে একই সাথে
বৃষ্টিতে দুজন আর ভিজবে না
কত আকাঙ্খা জমা পরে রবে
অথচ তোমরা দুটি পাখি আর এক হবে না!
হা হুতাশ করে মরে যাওয়া মাছরাঙা পাখিটি
পায়না জলের নাগাল
জলেই খাদ্য তার কোটরে বাসনা!
শেষ অবধি কোন ফাঁদ পেতে সে জলের নাগালে যেতে চায়।

মাতাল~২
যদি উড়ে এসে জুড়ে বোসে যাই
লাফ দিয়ে ঘাড়ে উঠে যাই
আর পানকরি পেয়ালা ভরা মদ
তবে দয়াকরে দিও মেঘফুল, মেঘের মুকুল ঝরে পরে দীর্ঘ সাধনার পর!
মানুষের নুনুভূতি
হেটোনা খোলা রাস্তায় একা
কার কুনজর কোন ভুলে
তোমার শরীরে
ভর করে শেষ অবধি
দুর্ভাগ্যের অঙ্ক কষে যাবে হাহ!
তাকিওনা পেছনে, পেছনে তাকালে
আমার বড় শঙ্কা হয় জানো তো?
দ্যাখো কালো কাক হা করে তাকিয়ে রয়েছে
কখন কুলক্ষণা ডাক দিবে কে জানে!
ভীত অনুভূতি আমাকে সর্বদা শিহরিত করে,
ইন্দ্রীয় অনুভূতিতে আমি বুঝে গ্যাছি-
একা হাটা তোমার সমূহ বিপদ!
এই রোডে কোন প্রক্কালে যদি ম্যাঘ দেখে
থাকো তবে এড়িয়ে যেয়ো কালো ম্যাঘ।

সোফিয়া
সোফিয়া!
জানি তুমি একটা রোবট
আর্টিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্সিতে ভর করে তুমি হেগে দিয়ে গ্যালে পলকের মাথায়।
সোফিয়া!
জানি তুমি একটা ধাতব বক্স
অথচ তোমার স্তন যুগল বাঙালীদের যৌন শিহরণ জাগায়,
তুমি কোন যৌবনে ভর করে কে জানে
মুতে দিয়ে গ্যালে আচোদা বাঙালী বাবুদের মুখে!

বেদুইন
আমার সামনে একটি প্রশস্ত পথ আমি নির্ভয়ে ছুটে চলি,
গ্রীবাদেশ হতে উন্মুক্ত কন্ঠস্বর আমার ফোয়ারা ছোটায়;
হায় বেদুইন ছুটে চলো!
যদি আকাশের কোন এক কোণে দ্যাখো
উঠেছে সন্ধ্যে তারা তাহলে প্লিজ
ভগবান ভেবে এগিয়ে না গিয়ে
উপরের দিক তাকিয়ে থাকো!

চার্লস বুকোওস্কি কে একটি কবিতা
রাত যখন তিনটে তিন
আমি শেষ সিগারেটটা টেনে
এসে ভর করে নিজের মেমব্রেনে
ভাবি এই রাত আজ তোমাকে উৎসর্গ করবো ফাকার!
তুমি খুশি হলে আমাকে ধার দাও একটি পঙক্তি
আমি তাহলে জগৎ এর সর্বশ্রেষ্ঠ কবিতাটা লিখে ফেলি।
আমার প্রতিটা অর্গান যখন বাধ্যগত হয়,
আর চিরায়িত জিনার গল্প বলে
আমি তোমাকে ভাবি।
আমি তোমার কাছ থেকে যা পেয়েছি,
তলাতক হাত দিয়ে দেখি- ভেজা
একটা আন্ডারওয়্যারে সব মোড়া।
হু, সর্বদা তাকিয়ে দেখতে থাকো,
আমার পরহিত জাঙিয়া বা আন্ডারওয়্যার
যা তেলচিটচিটে, শরীরের নরোম অবক্ষয়।
বিরল প্রাণী আমি, জগতের সবচে দূর্লভ প্রাণী!
তুমি আমাকে অনুসরণ করো, আর
সাহায্য করো একটি মাত্র পঙক্তি,
তোমার পঙক্তি ভান্ডার থেকে।
চার্লস!
প্রেমিকাকে নিয়ে ভাববার শেষ মুহুর্তে
আমি আমি সিগারেট ফুকতে থাকি,
আমার একটি সিগারেট যেন একটি অ-সুখের দলা;
প্রেমিকার চাহিদা শুধু সুখ!
চার্লস আমাকে ধার দাও একটি পঙক্তি
আমি প্রেমিকাকে মস্তিষ্কে গুলিয়ে ফেলতে চাই
সর্বশেষ টানা সিগারেট এর ধোঁয়ায়!

ইতর
আমি এক বালছাল উড়ে বেড়াই বৃন্দাবন
ছিড়ি সাধুর বৌয়ের ব্লাউজ,
টানি বিশ্ব সুন্দরীর পেটিকোটের সুতা।
আমি সেই ইতর, যার মস্তিষ্ক সর্বদা যৌনতা নিয়ে ভাবে!
চোদে নারীবাদীর অধিকার
যৌনী ভেদ করে ঢুকিয়ে দেয় সংযম ব্রত!

মেমবার্ড
ভান করে আছো মেমবার্ড?
এখনো তো হওয়ার ছিলো ভান করা আলাপ।
ভালোবাসার চাইতে নাকি যৌনতা বড় হলো আজ!
আমি চাইনি কখনো এমন বিষন্নতা ভর করুক আমাদের।
হৃদয়কে জাপটে ধরে যদি বলো কথা, আর কথামালা ইন্দ্রীয়ভাবে শুনে যদি যায় হিমালয়
হিমালয়ের তবে ভাগ্য ভালো।

আমাকে দ্যাখো
আমাকে তাকিয়ে দ্যাখো
ফ্যাল ফ্যাল দৃষ্টিতে তাকাও
এতদিনে যে অপূর্ণতা ভর করেছিলো আমাকে
তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে তা পূর্ণতা পাক।
কাঁচ ভাঙ্গা শিশেরের স্পর্শে যদি ভোর হয়ে যায়
তবে ঠোঁটে ছুঁইয়ে যাবো বিন্দু শিশির, কাক ভোরে।
তাকাতে বলো তোমার চোখরে।
আমাকে যদি ভাবো অনাহূত কেউ, তবে দুঃখটা সেখানেই।
শিশির আর ভেজাবেনা জানালার কাঁচ
কিংবা মাথা তোলা ঘাস, কাক ডেকে আর ভোর হবে না।
অন্ধকার তাবৎ পৃথিবীতে, হাত ধরে চলার মতো
তুমি কাউকে আর খুঁজে পাবে না।
গ্যালাক্সির ফাঁদে পরে যদি যাও
কেউ হাত ধরে তুলবে না।
আমাকে অনাহূত খাতরা ভেবো না,
তাকাতে বলো তোমার তীক্ষ্ণ দৃষ্টিরে।

কুর্সড~ ১
একদিন তুমি মরে গেলে,
আমি হাসতে থাকবো
এক কাক ভোরে
চুপিসারে
চলে যাব দরগায়
পাতিল ভর্তি করে
শিন্নি দেবো।
আমার বিদ্রোহী আত্মা
দয়ামায়াহীন, পাখি।
আর তুমি ভেবোনা
এই; আমি তোমার
মৃত্যুর পর কাঁদবো!
তুমি মরে গেলে
আলহামদুলিল্লাহ্!
মৃত্যুই হোক তোমার।
ভেবোনা তোমার
মৃত্যু নিয়ে
কিঞ্চিৎ ভাববো!
আমি বেঈমান চিনি
বেঈমান আর
ভালো লাগে না!
মরে যাও-
পঁচে যাও
গলে যাও
সর্বোপরি মাটিতে
মিশে হিউমাস হও।
আমি তাকিয়েও দেখব না,
কসম! কসম!

রিভেঞ্জ~ ৩
একদিন আমার ও সময় আসবে
আমিও অনেকটা বড় হব!
তোমার কল্পনার অনেকটা বাইরে!
তোমার অহংকারের চে আমার
একটা কথার ওজন হবে সাতমন বেশি ভারী
তুমি সহ্য করতে পারবে না!
প্রিয়তমা তুমি আমার কথার ওজনে মাটিতে মিশে যাবে।
আমিও তোমার ফোন দেখে রিসিভারে ৩ বারে হাত নেবো না।
তোমার বার্তা খুলেও দেখবো না।
তোমাকে পাশে বসতে দেবো না
জড়িয়ে ধরে ভালোবাসতে দেবো না!
তুমি কাঁদবে আর আমি তাকিয়ে দেখবো
আমার দামী টিস্যুতে তোমারে হাত ছোঁয়াতে দেবো না।
ছোট থাকে গাছ দেখোইতো
ডালপালা গজায়, মস্তবড় শীর সুউচ্চে তুলে
মেঘরে চ্যালেঞ্জ করে বসে
উপরের মেঘ ঈর্ষান্বিত হয়,
যুদ্ধের দামামা বাজায়
বজ্রপাত নিক্ষেপিত হয় মেঘের
পাচিল থেকে গাছের মস্তকে!
বজ্রের আঘাতে গাছ মরে যায়
শিকড়ে গজায় তাঁর সুউচ্চে মাথা
তোলার স্বপ্ন।
শিকড় থেকে গাছের ভবিষ্যৎ সুউচ্চে মাথা তোলে,
পূণরায় চ্যালেঞ্জ করে মেঘ মালারে।
একদিন আমার ও সময় আসবে
আমিও বড় হব!
তোমার বাড়ির ছোট রাস্তায়
আমারে দেখবা স্বর্নে মোড়া গাড়ি
নিয়ে প্যাঁপোঁ হর্ণ বাজাচ্ছি
কানে তালা লেগে যাবে তোমার পরিবারের।
আর তোমার বাবার কালো কুচকুচে দুটো হাত
আমি স্বর্ন দিয়ে মুড়িয়ে দেবো
একটা বান্ডিলের সব টাকা তোমার বাবার মুখে
ছুড়ে দিয়ে বলবো
“নে ফকিরনির বাচ্চা এইবার
এইসব দিয়া মুড়ি ভেজে খা যাহ!”

মায়া
কি অবিচ্ছেদ্য একটি মায়ার চাদর পেতে
রেখে দিয়েছো না পারি ছিড়তে তারে
না পারি পোড়াতে, কোন চিঠি
সব! সবই আমার স্মৃতি
অাপদমস্তক আমি একজন গাধা!
কল্পনা করি তুমি এই আছো অথচ চারদিকে তাকানোর
পরে দেখি না তোমারে! তুমি কই?
অতীতেরে কল্পনা করতে করতে অ্যাস্ট্রে ভরে ফেলি ছাইয়ে
একদা তুমি পাশে ছিলা
আমরা গল্প করতে করতে দুটোপাখি
একত্র হয়ে ছিলাম
আমাদের চুমু ক্ষণস্থায়ী হয়েছিলো
লাল ফিতা বেঁধে দিয়ে বলেছিলে হাতে,
যদি ভুলে যাও তবে মাথা চিবিয়ে খাও
রোজ কেয়ামততক দাবী, যদি ভুলে যাও!
আল্লা ছিলো সাক্ষী, সাথে আল্লার আরশ,
ফারিশতাগণ সাক্ষী ছিলো
তোমারে দেয়া প্রতিজ্ঞা আমি রেখেছিলাম,
অথচ পরিণামে তুমি প্রতিজ্ঞা ভেঙে
চলে যে গেলে সেই কবে আর ফিরে এলে না!
কী আফসোস! কী হাপিত্তেস আমার!
তুমি সেই চলে গেলে
অস্তিত্ব দেখিনি কোথাও
না পিথিবীর চাঁদে
না কোন মেঘে
না দেখি অস্তিত্ব তোমার আরশে মোআল্লাতে!

কুর্সড~ ২
আমি মৃত্যুকে ক্ষাণকিরপোলা বইলা গালি দিলাম।
“মৃত্যু একটি ক্ষাণকির পোলা!”

কুর্সড~ ৩
আমি তো ঠায়
দাঁড়িয়েই, ছিলাম
পাখি।
জানালা খুলে,
তুমি উড়ে গেলে না,
স্ব ইচ্ছায় থাকলা
আবার ঝগড়া চুদাইতাছিলা!
আমাকে কোন শাউয়াটা ভাবো?
চুৎমারাণি।
চলে গ্যালা না কেন?
থাকলা কেন?
কইলজা চাবাবা বইলা?
নাকি,
তোমার ছোটডানা
ছেটে দিয়েছিলো
নাকি কেউ?

কুর্সড~ ৪
কী দীর্ঘ রাতেরে
আমি গালি দিই
এতবড় রাত
অথচ পাশে গল্প করার
মতো কাউরেই
দ্যাখিনা আমি!
অগোছালো এই জীবনে
যদি পাই কারো পূর্ভাবাস
তবে তোমার স্বপ্নরে ত্যাগ করে
আমি সুখী হব।

কুর্সড~ ৫
কাল অথবা তার পরেরদিন
তার পরেরদিন না হলে তার পরেরদিন
আমার ও সুযোগ হবে মেইন রোডে দাঁড়ায়ে না পারি, জুতা খুলে দৈাড় দিয়ে তোমাকে থাপড়ায়ে বলতে থাকবো,
আমার সব পূর্ণতা ফিরিয়ে দে মাগী!

আমি ও সোলেমান
পাখিরা আমার কথা বোঝে
উদ্ভিদ কিংবা গুল্ম যাই বলো
সকলে আমার কথা বোঝে একমাত্র তুমি ছাড়া!
ভোরের শিশির এবং পাখিরা আমার কথা শোনে
একমাত্র তুমিই শোনো না!
আমি পাখিরে শিশিরে গোসল করতে বলি
জানালা খুলে দেখি প্রাতের শিশিরে পাখিরা মেঘ হয়ে গোসল করে।
মেঘের কাছে বৃষ্টির আহ্বান করি,
ডানাঅলা মেঘ পাখি হয়ে উড়ে আসে আমার টিনের চালায়,
এরপর;
মেঘ তাঁর উদর খুলে দিয়ে বৃষ্টিরে ঝড়ায়।

কাশফুল
অমায়িক সাদা কাশফুল দুলতে জানে না
অথচ দ্যাখো তার কত ফুটানি!
ম্যাঘের সাথে সাদৃশ্য হয়ে নিজেরে ভাবে
য্যানো হয়ে গ্যাছে ম্যাঘের মিতা!
কবি ভাবে উড়তে উড়তে নিজেরে,
হয়ে পুস্তকের কবিতা।
হা হা
কী নিদারুন নগ্ন বাতাসে,
কাশফুলের ডানা দুটো গজিয়ে যায়
উড়ে চলে যায় উত্তর হিমালয়,
হয়ে যায় শুভ্র বরফ –
বকুল গাছের মাথায় তাঁরে দেখা যায়,
যেন ডানাঅলা শাদা মেঘ;
উড়ে চলে এসে পাখনা মেলে বসে
পরে বকুলের ডালে!
দিগন্ত জোড়া মাঠ কে ছুটি জানিয়ে,
বাতাসে উড়ে চলে যায় দূর দেশে!
আর সুযোগে ঘাসফুল,
কাশফুল হতে চায়!

বিশালত্ব
ও পৃথিবী আমার বিশালত্ব ধারণ করার ক্ষমতা তোমার নাই!
আমি যে তোমার মাঝে নিজের আঙুল রাখবো,
আমার আঙুলের শ্রী তোমার নাই।
ও পৃথিবী নিজেরে গুটায়ে নাও;
ভিন্নভাবে আমারে জায়গা করে দাও
অথবা প্রসস্ত হও আরো,
তোমার মাঝে বইসা একটু ধীরে চা খামু ।

আত্মীয়
আমার বড়ত্ব ধারণ করার
অথারিটি আমার রিলেটিভদের নেই!
কারণ আমি তাদের
চেয়ে অনেক অনেক বড়!

বাঁধা
ভাবি তোমাকে নিয়ে
আকাশে উড়াল দেবো,
কিন্তু তাকিয়ে দেখি আকাশে
আমাদের বাঁধা স্বরূপ
একখন্ড কালো মেঘ!

সাইকো ফ্যাক্ট
আমাকে তোমরা
সাইকো ভাবো,
আমার মতো
গভীরভাবে
ভাববার।
ক্ষমতা তোমাদের
সৃষ্টি হয়নি।
আমি ভাবনার
চূড়ান্ত পর্যায়ে
যেতে শিখেছি।
আর তোমরা
এখনো ভাবতেই শিখোনি!
আমাকে সাইকো
ভাবার আগে
ভাবতে শিখে নাও।
অথবা আমাকে
গুরু মেনে নাও।

ভালোবাসা
যারা আমাদের ভালোবাসে
আমরা তাদের অনবরত
অবহেলা করি।
আমরা তাদেরই
গুরুত্ব দেই যারা
আমাদের মানুষ
মনে করে না।

২~
যাদের আমরা ভালোবাসি
তাঁরা মনে করে
ভালোবাসাটা।
আমাদের দূর্বলতা!

ম্যাসটিফস বা মন খারাপ
আমরা মন খারাপ করি
মন খারাপ হয় যত্রতত্র
আমরা পৃথিবীরে গালাগাল দেই
মন খারাপি কমে না।

পার্টিয়াল লাভ
একতরফা ভালোবাসা
আমাদের হৃদয়কে
ছিড়ে লবন দিয়ে খায়।
একতরফা ভালোবাসা
আমাদের ছোটলোক বানায়।

গ্রাহক
আমার ট্রেন যাদের
অপেক্ষায় থাকে,
অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে
তাঁরা আরামপ্রিয়।
কাজেই আমাদের ট্রেনের
চে ভালো ট্রেন পেলে
তাঁরা সেটার যাত্রী হয়।
আর আমরা তাকিয়ে
তাদের চলে যাওয়া দেখি।
আমরা যাদের বিশ্বাস করি
পৃথিবীর রুল অনুযায়ী
তাঁরা আমাদের দূর্বল ভাবে।
আমরা মন খারাপ করি
মন খারাপ হয় যত্রতত্র
আমরা পৃথিবীরে গালাগাল দেই
মন খারাপি কমে না।

স্ব
আমি বোবা
হয়ে থাকি
কেননা আমি
কথা কইলে
খোদার দুনিয়া
কাঁপতে কাঁপতে
ধ্বংস হয়ে যাবে!

ভাত ও ক্ষিধা

হে ভাত তোমার জন্য কত কষ্ট করি!
অথচ একদিন তোমারে
করার টাইম থাকবে না,
তখন আমরা বার্গার খাব!
সান্ত্বনা
এ আঁখিরে আমি
বাঁধা দেবো না।
হার না মানা রাতের
সাথে আমরা
দুজনই পাল্লা দিই।
আমরা রাত জাগি
পৃথিবীতে আর নেই কিছু
যা ধরে শেষ পর্যন্ত বাঁচতে পারি
পাখি মুক্ত বিহঙ্গে ওড়ো
ছেটে দেয়া দুটো ডানা
আমাদের বহুদূরে না
নিতে পারে
কষ্টের আয়ত্ব ছেড়ে
বহুদূর অন্তত
নিয়ে যাবে মেঘের পাঁচিল থেকে
খাড়া পাহাড়ের দিকে।

খারাপ কার জন্য আমি?
আমার ভুল আমি জানি!
মাঝে-মাঝে আমি নৃশংস হই
আমি পাগলা কুত্তা হই-
সব তোমার সেফিটির জন্য!
তুমি জানো মেঘ আমি ভয় পাই
বৃষ্টি ঝড়াবে,
আমি তোমাকে বৃষ্টিতে ভিজতে দিতে চাই না এতে,
তোমার জ্বর হবে
তুমি রাগ করো।
আমি তবুও তোমাকে শাসন করি,
কারণ আমি জানি ; তুমি না জানলেও –
আমরা কতটা কাছাকাছি, পাখি।
দুজনার কত আপন!
আমরা সাদামেঘ,
দূরত্ব বজায় রাখলেও
শেকড়ে নেই ডিসট্যান্স!।

সহবাস
পাখি চুরি হয়ে গেলাম
দুজনা
কাক ভোরে
ভ্রাম্যমান পাখিরা ও জানে,
শীতলক্ষ্যার তীরে
রোজ ভোরে
তুমি-আমি গোসল করতে আসি
এ কোন কামের বিভোরে
দুটি চোখ এক হয়ে যায়,
পৌষের শীতে
গ্রীষ্মের আভাষে,
ঈশান কোনে লাল
সূর্যরে দেখে
আমরা ঘরে ফিরি।
মধু পূর্ণিমার বিশাল
চন্দ্ররে আমরা ছুঁইতে
চাচ্ছি পাখি
মনখারাপি
রেখে চলে আসো
দুইজনে চাঁদ ছুঁই;
পাশাপাশি বসে।
অবুঝ! কোন এক রাত্রের মায়ায়
আমরা চাঁদের আলোয়
মাথাকাটা কুড়ে ঘরে
পরে থাকি লিটল ম্যাগের মতো শিরোনামে অবহেলায়
আমাদের ঘুম চলে আসে।
শবদেহ বয়ে কারা
যেন যায় নিয়ে
লাল নিশানপোতা
কবরস্থানতক,
এই যে কবরের বাসিন্দার
দুনিয়াভি কলঙ্কের ভয় থাকে না,
পাখি যদি আমাদের গায়ে
লাগে কলঙ্কের আঁচ
তবে চন্দ্রিমা রাত
সাক্ষী রেখে চাঁদ
আমি শপথ করি,
পুরো জামানার মাটি
আরো সাক্ষী
আমরা দুজন কবরের
লাশ হয়ে যাব
গোরস্তানে থাকতে
পারবে কী আমার সাথে?
যদি রাজী থাকো
চলো মরি,
মরে যাই বিষন্ন বিকালে
যথা চাঁদ তথা থাক
চাঁদ দেখা শেষ করে চলো মরি….

আমরা কেঁদেছিলাম~
আমরা কেঁদেছিলাম ;
রোজ সকালে যখন সূর্য ওঠে
শিশির ডোবে ঘাসের ফাঁকে
মধুর জন্ম হয় বিশাল মৌচাকে
স্মৃতিরা রোজ জড়ো হতে থাকে।
আমরা কেঁদেছিলাম।
কোরানের পাতায় পাতায় সুর করে
দীর্ঘ আলিফের টানে,
পৃথিবী যখন জন্মেছিলো
আচমকা এক বিস্ফোরণে।
আমরা কেঁদেছিলাম।
দীর্ঘায়ু সত্ত্বায় ভর করে করে আমরা কেঁদেছিলাম;
অনন্তকাল আমরা কেঁদেছিলাম
সুন্দর মৃত্তিকার সমস্ত গাছের শিকড়ের শৃঙ্খলা ভেঙে যেতে দেখে
আমরা কেঁদেছিলাম।
আমাদের আত্মা কান্নায় জর্জরিত হয়।
সর্বদা!

গান~
এখ খন্ড মেঘ দিচ্ছে ইশারা
ডাকছে কাছে কালো মেঘ
ভাবছো কী যে একলা একা
চাঁদ ধরতে মেঘের দেশে
যেতে হবে জোড়সে ছুটে
চাঁদ কিন্তু বড্ড লাজুক
দিনে ওঠে না….।
ও সাদা মেঘ কাশফুল হও
কাশফুল নও
ঘাসফুল হও
যদি চাও
মৌমাছি হও
দিনদুপুরে
রোজ মধু খাও
উড়ে যাও উড়ে যাও
বনে বনে।
ঘাসফড়িঙের ডানার মতো
উড়ে বেড়াও দূর বহুদূর
যত বাঁধা স্বচ্ছ কাঁচে
আলতো করে বৃষ্টি লাগে
বৃষ্টি হলে উঠোন জুড়ে
উঠোন জুড়ে বেড়ায় ঘুরে
সাদা রঙের রাজ হাসেরা……।
দূর আকাশের গাঙ চিলেরা
ভাবছে যেন কী!
সুযোগ বুঝে ছো মেরে সে
দূর মগডালে খাচ্ছে বসে
খাচ্ছে বসে কলজে ছিড়ে
মায়ার জালে আটকে নারে
গাঙচিলেরা বড্ড সীমার
নিম্নগামী পথ দেখেও
মুখ উঁচিয়ে
দূরা আকাশে
পারি দিয়ে যায়….
কী আর করা চলো দুজন
দুদিক ছুটে যাই
একটি বিকেল
রোজ মলিন হয়
কান্নাগুলো লুকিয়ে রেখে
হাসছে সবাই গোমড়া মুখে
দিচ্ছি আম লাজুক হাসি
আসো দুজন যাই হারিয়ে
কালো রঙের মেঘের দেশে।

২নং
এক আঙ্গুল দাও ডুবিয়ে
চায়ের কাপে
নোনতা স্বাদে
মুখ থিতু হলে
তবে চুমুক দাও।
প্যাকেটের সিগারেট
একটা দিয়াশলাই
একটা অ্যাস্ট্রে
আর কিছু গোল করা ধোঁয়া
সহানুভূতির ধোঁয়া উড়ছে।
এককাপ চা। রংভরা রংচঙে রঙধনু
নীলাকাশ
আরেকটা হাহাকার ভরা চিঠি
জমা পরা সব স্মৃতি
কিছু স্মৃতি উল্টালে পাল্টালে
উন্মুক্ত
বুকে ভিষন চোট লাগে!
ও আকাশ খুলে যা
যেথা আছে বিধাতা
তাঁর কাছে পৌঁছে দে
ফরিয়াদ
আমি মুনাফেক!
ও বিধাতা দাও খুলে দাও
জংধরা
প্রেয়সির
অনুভূতি।
আর আমাকে যদি চাও
খোলা ক্যানভাসে
পাগলের মতো ছেড়ে দিতে
যদি সুখ পাও
তবে তাই দাও
আমি হাটবো
সব ভুলে
তবু আমি চাই
যেন তুমি
ফিরে আসো স্বরূপে
তাতে যদি শর্ত দাও
সব মেনে নিয়ে
জানালার পাশে আর দাঁড়াবো না!

দেখা হবে হা হা হা
বিশ বছর পর যদি আমাদের দেখা হয়ে যায়,
তুমি আচরণ করবে এমন যেন আমরা
কোনদিন পরিচিত ছিলাম না!
কী আশ্চর্য তাই না?
বার বার তাকাবে ফাঁকে
তুমি আমাকে দেখেও না দেখার ভান করবে,
অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে চলে যাবে।
আমি তোমার দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলবো,
এই মাতারী কে বেশ চেনাজানা লাগে কেন?

লায়ার
মিথ্যুক! তুমি বলেছিলে, মেঘ শৈলচূড়া থেকে উৎপন্ন হতে হতে আমরা মিলিত হবো ; প্রেম হবে আমাদের।
মেঘের নভোমণ্ডলে পরাগায়ণ হলো, মেঘ গর্ভধারণ করলো শেষে গর্ভপাত হলো, জন্ম দিলো বৃষ্টির; বৃষ্টিরা দীর্ঘকাল ফোঁটাফোঁটা জল সংঘটিত করলো, উৎপন্ন হলো মহাসাগরের! মহাসাগর তাঁর জলকে জমাতে জমাতে উৎপন্ন করলো বরফের। তাঁরা (বরফেরা) আবার ফিরে গেলো শৈলচূড়ায় পূণরায় উৎপন্ন হলো মেঘ। এত এত দীর্ঘকাল কেটে যাওয়ার পর ও আমি তোমার ঘ্রাণ অব্দি পাইনি!
অথচ তুমি আমাকে মিলিত হওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলে!
কাঞ্চনগোলক দেখতে দেখতে আমি সময় পার করি, হালিকের সাথে মনের কথা কইতে কইতে মহুয়ার ডালে বসে যাই, ডালে বসে মেঘের ছেদিত যোনী দূর্বীণ বানিয়ে আমি মিল্কিওয়ের সকল তারাদের দিকে নজর রাখি। কই তুমি!
ভুল অযথা করা হোলো, মেঘও আমার দিকে তাকিয়ে থাকে। ছিদ্রে বজ্রপাতের সৃষ্টি করে। হুঙ্কার দিয়ে ছেদিত যোনীর দিকে তাকাতে নিষেধ করে। আর বৃষ্টিরা অযথা টিপটিপ পরতেই থাকে। সময় থামাতে গিয়ে আমি বিফল হয়ে ঘড়ির কাঁটাকে ঘুরিয়ে দিই। অপেক্ষা আর অপেক্ষা। অপেক্ষমাণ আমি।
অপেক্ষা আমাকে চণ্ডীদাসের বাপ-ঠাকুরদা করে ছাড়লো!
মিথ্যুক! এত যুগ কেটে গ্যালো তুমি তোমার কথা রাখলে না!

হুহা
পৃথিবী একটা গতিহীন পদার্থ হইলে বৃষ্টিরা জমে বরফ হইতো
আর প্রেমিক প্রেমিকারা ভিজতে গিয়া বারবার নাজেহাল হইতেন।
বড়বড় বরফের চাই তাদের বিশাল রক্তপাত ঘটাইতো।
তারপর ওরা চাইতো বৃষ্টিতে ভিজতে।
চুৎমারানিদের ভেজার কত শখ দ্যাখো!

শিশির
ও শিশির জানালার কাঁচ ভিজাও
কী স্থীর জানালার কাঁচ বাতাসে নড়ে না
অথচ ভিজে যায় স্বচ্ছ শিশিরে!
ও শিশির ক্যামন আছো? ভালো তো?
আসো আজলা ভরে পান করি,
স্বচ্ছতা এখন দূর্লভ বড়!
শিশির রাতে ছুঁয়ে যায় পৃথক্কর ঘাস
নির্মল মহীরূহ জানে,
অনুত্তেজিত পাতায় পাতায়
এক আচমকা কোমল সোহাগ মুহূর্তেই এসে যাবে!
মাছেরা শিশির উপভোগ করতে
উঠে আসে জলের অগ্রে
ফোঁটায় ফোঁটায় শিশির পান করা শেষে
পূণঃ চলে যায় জলের তলায়।
আশ্চর্য ভাবে মাছ শিশির উপভোগ করতে ভালোবাসে খুব!
আমি মাছ হয়ে যাব
মুঠো মুঠো পান করতে শিশির
শীতের পাখিরা জেনে গ্যালো আমার গোপন আকাঙ্খা
কলকাকলিতে জানিয়ে দ্যায় বর্ণচোরা
আমি শিশিরের স্বার্থে মাছ হয়ে বেঁচে
থেকে মুঠো শিশির পান করতে চাই!

সুবোধ
সুবোধ তুই যেইখান যাইতাছিস যাইতে থাক
তোর বাপ করেছে জমিদারি
কেড়েছে প্রজার লাঙল
নিলামে ক্রয় করে অল্পে
প্রজারে করেছে জমিহীণ
খাস জমি হারিয়ে প্রজা হয়েছিলো বেসামাল!
সুবোধ তুই যদি পালিয়ে না যাস তবে,
তোরে শক্ত কইরা ধরা হবে
ঘাড় ধইরা বর্ডার পার করায়ে তোরে
সমান্তরাল মাঠে ছেড়ে দেয়া হবে!
সুবোধ! তুই পালায়ে যাইতে থাক
এ জমিন তোর না!
যদিও ভাবিস এ জমিন তোর
তাহলে পূর্ব পুরুষরে মনে করতে থাক।
থাকনের ক্ষমতা বা রাইটস তোর নাই,
এ জমিনের শিরায় শিরায় তোর
বাপ ঠাকুরদার অত্যাচারের গন্ধ পাই!

ভ্রান্তি
পৃথিবীকে মনে করেছিলাম; কোন এক মেঘমালা
যেখানে একমাত্র প্রাণী হিসাবে
আমরা দুটো প্রাণ একসাথে বোসে থাকি
রোজ বিকালে হেলে পরা সূর্যের দিকে তাকিয়ে থেকে।
রোদ তলিয়ে যাওয়ার শেষ মুহুর্তে-
জমা কথা হৃদয়ে চেপে বাড়ির দিকে আগাতে থাকি,
দুজন বিচ্ছিন্ন হই।
যেমন সেপারা থেইকা বিচ্ছিন্ন করা হয়
তেমনি কালো হরফের মতো!

তুলনা
আসমান মেঘের সমান নয়
যদিও বা তারে মনে হয়
মেঘের জিগারি দোস্ত
সর্বদা আসমান সাদা-কালো মেঘে আবর্তিত রয়
আসমান কিন্তু মেঘের সমান নয়!
মানুষ তাঁর আত্মার সমান নয়
যদিও মানুষরে তাঁর আত্মার সমান ভাবা হয়
তথাপি মানুষ তাঁর আত্মার সমান নিকৃষ্ট নয়!

বাঁশি
জলের তলায় কে বাঁশি বাজায়?
কোন রাখালের এত ভয়াবহ সুর?
এ বাঁশির সুরে আমি কিঞ্চিৎ শিহরিত
এত বাজে বাঁশি
বাজায়টা কে?
শালার অশ্লীল বাঁশি!

মজ্জাগত অভিশাপ
মজ্জাগত অভিশাপ
দূর্বল গ্রন্থিতে চাষ করি
ফোঁটা ফোঁটা জল
চোখের কাজল
ধুয়ে মুছে যায়
প্রেয়সির প্রয়োজনে
চাষ করি ভরা যৌবনের।
যদি কাজল ধুয়ে
কিঞ্চিত ভাটা পরে সৌন্দর্যের
তবে বহাল থাকুক তা
প্রেয়সীই নেই তবে কী’
যৌবন ধুয়ে পানি খাবো?

চলে যাও চঞ্চলা

১.
চলে যাও চঞ্চলা
নিমগ্ন বিথীকা ধরে
করবনা কোনদিন ক্ষমা
যে ব্যথা দিয়েছ হ্রস্ব হৃদয়ে
তা মেনে নেয়া যায়না!

২.
চলে যাও চঞ্চলা
কভূ ফিরে চেওনা;
ঈশ্বর জানে সব
ফিরে যাওয়ার মাঝে
কত অভিসম্পাৎ
ভর্ৎস্যনা-কত বাসনা
বিদ্যমান, দীর্ঘ পথ
যাওয়ার পরে
টেনে দিও শেষ যবনিকা।

৩.
প্রহরী পাখিদের বুঝতে বাকি নেই
জেনে গ্যাছে অর্ণব অথৈ
প্রেমের এই তো সমাপ্তি হোলো
সন্ধ্যের শেষে হার্মিং বার্ড
গুঞ্জন ছেড়ে নীড়ে ফিরে এলো,
খাওয়া হলোনা আর মধু
রয়ে গেলো শেষ অবধি
অসমাপ্ত ক্ষিধে আর তৃষ্ণা।

৪.
খাড়া পাহাড়ে
পেট্রোল ফুড়ালে
পাহাড়ের শেষ মোড়ে
গাড়ি থেমে গেলো।
পাহাড়ে মৃত্যুই শেষ নিশানা
এ গাড়ি আর কখনো ফিরে যাবে না!

সাপ
সাপ মাথা উঁচু করে চলে
ফনা তুলে মাতবরি করে
গর্বে বারবার ছোবলের ভয় দেখায়
গ্রন্থিতে রয়েছে ভেনম এই উত্তাপে
জোড়ে জোড়ে শ্বাস নেয়
যেমন হাপানি রোগী হাপানির শেষে
শ্বাস করে কূল পায় না।
দাড়া ভেঙে দিলে সব শেষ তার।
কিং কোবরা কিংবা
ভেনমাস গোখড়া
ফসফস শব্দে
আগাম ক্ষমতার প্রকাশ করে
অথচ আমি দেখেছি
একটি লাঠির আঘাতেই শিরদাড়া
ভেঙে গেলে, ক্ষমতার নিপাত ঘটে তার!
কী আশ্চর্য! অতবড় ভেনমাস স্নেক
একটা শক্ত লাঠির কাছে কত অসহায় হায়!

বাংগালী
আমার চামচিকা চোদা অতি বাঙালীয়ানাটা
তোমারে গালির বরাতে দিলাম ওগো পাকিস্তানি ;
গালি দাও আর বলো “শালা কাঙালী বাঙালী পেটে ভাত নাই!
ফাঁসির দড়ি নিয়া মিছিল চোদায়!”
ইউ নো হোয়্যাট! বাঙালীর মাথায়
টুপি পরানোর পরে বাঙালী হয়া যায় পাক!
না ভেবে সাতপাঁচ – শাহবাগিস্তানে মিছিল ছোটে,
ফোয়ার ছোটে গালির পেইড তরুণ বলদদের মুখে,
এক তরুণ বাঙালী হিসাবে আমি কচুগাছে ফাঁস দিয়ে মরে যেতে চাই!
যে দেশে চেতনা মানে জাতীয়তাবাদ
যে দেশে চেতনা মানে ব-বাদ
সে দেশের অভ্যন্তরে খানার বড্ড অভাব!
কী এক বাল পেয়েছে মুখে সারাক্ষণ ;
ব-ব জিন্দাবাদ ব-ব জিন্দাবাদ!
বানিয়ে খোদা তাকে, রোজ পূজো হয়ে থাকে
দেব-কন্যা হিসাবে রয়েছে তার ছেড়ি,
দেবতার পূজোতে সারাবেলা কাটে
একচ্ছত্র অধিপত্য তাঁর ডেডিরর পূজা রক্ষা করেছে বটে!
এক রাজাকার বিয়াই, লবন আর কম্বল চোর নিয়া তাঁর প্রতিটা মুহুর্ত কাটে!
দেবতার প্রশংসা করে যদি কেউ, দেবকন্যার কোমল হৃদয়ে এসে লাগে।
আহা দেবকন্যা আফসোস হয়;
ক্ষমতা ছুটে যদি যায়,
যদি গদি ভাঙ্গে কোনদিন দক্ষিণা হাওয়ায়
আর এতদিনের লুটে খাওয়া সম্পদের যদি হিসাব চায়,
তবে তুমি বলো পালাবা কোথায়?
রক্ষা করবে কী তখন তোমার দেবতা বাবায়?

মিল্ফ
কচি বয়সে আমরা পেকে পাকা পেঁপেঁ হয়ে গেছি!
“মোরা পাকা পেঁপেঁ খাই” এক নিঃশ্বাসে সতেরবার আওড়িয়ে হিরো হয়েছি,
পারলে সতেরবার আওড়াও “কাচা গাব, পাকা গাব”
এই চ্যালেঞ্জটুকু গ্রহণের বয়সে ;
আপনাকে ছুঁয়ে দেবার চ্যালেঞ্জ সত্যিই ভয়ঙ্কর স্বপ্ন আমাদের!
আপনার রোমাঁচিত মুখ, ফোলানো ঝোলানো উরোজ
হস্তের জেনা
রাত্রিরের উইট-ড্রিম
কোমল ভ্যাজিনা
কত পাপ একাধিক-কাল
খোয়াব দেখাটা ভুল হয়েছে কিনা জানি না !

আপনার প্রতিটা অর্গানের প্রতি যে দৃষ্টি রয়েছে
অকালে পেঁকে যাওয়া ইঁচড়ে পাকাদের;
আপনার প্রতিটা অর্গান আমাদের চেনা।
একাধিক কাল স্বপ্ন দেখার অভিজ্ঞতা!
প্লিজ ওভাবে দৃষ্টি দিবেন না, খোলা মাঠে হাটবেন না!
দেহই সম্পদ, একমাত্র সবারই!
আমাদের যে ঘরপোড়া দৃষ্টি,
সে দৃষ্টি থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন? কিন্তু কিভাবে?
চোখ বুজলেই আমাদের চোখে ভাসে আপনার অর্গাজম,
ধাতুর ক্ষয় মানসিকতার নিপাত
ক্ষসে পরা স্পার্ম, দূর্বলতার বিকাশ।
এক খাটে শুয়ে, একই ঝর্নায় শাওয়ারে
এক টাওয়ালে পেঁচিয়ে থাকার স্পৃহা!
তুলতুলে উরোজ, নরোম অধোদেশ ছোঁয়া।
স্পৃহা সর্বদা মাটি হয়ে থাকে আর
খুঁজে নিতে চায় আপনার নিতম্বের নিচে পরা অন্তর্বাস।
বুকে লেপটানো কাঁচুলি বা ব্রা।
খুঁজে পেলে হয়ে যায় বেদিশা
ফড়ফড় করে ফড়িং হয়ে উড়ে যায় স্বমেহন সাগরে!
ছাদ থেকে চুরি হয়ে যাওয়া অন্তর্বাসটা খুঁজে দেখুন,
পাবেন বাসার পাশের ইঁচড়েপাকাদের বিছানার নিচে।

শরীর
আমাদের শরীর ঢাকা থাকে বিশাল একটা নগ্ন চাদরে।

সাইকো ফ্যাক্ট
এমন কিছু মনখারাপের কারণ আছে যা আমরা খুঁজে পাই কিন্তু ইন এ শর্ট পিরিয়ডে জাজমেন্ট এর ওয়ে পাই না! দুঃখজনক ভাবে সেগুলো খুব ডীপলি আমাদের পীড়া দেয়। এত ডীপলি পীড়া দেয় যে আমাদের তছনছ করে ফেলে!
“না পারি কইতে না পারি সইতে” এরকম দোটানায় পরে আমরা একটা কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে ফেলি। আমাদের পদক্ষেপ আমাদের ভোগায়। অথচ স্যলুশন সার্চ করার আগেই আমরা মন কে মেরে ফেলি আর আমাদের সাইকি বা আত্মা ব্যথাতুর হয়! আমরা নিজেদের মানুষিক রোগী ভাবি! অথচ আমরা ভাবি না, যাদের জন্য আমাদের বিষাদ ক্রিয়েট হয়, তাঁরা নিজেরা একেকজন মনের রোগী কি না!

কুর্সড~ সমূহ
১নং
কি সুন্দর পৃথিবীতে আমাদের মাঝেমাঝেই বাঁচতে ইচ্ছা করে না মালিক! হয় মানুষরে জড়বস্তু করো অথবা দুঃখরে তুলে নিয়ে যাও।

২নং
আল্লাহ্ চায় আমি বাঁচব না, আবার আল্লাহ্’ই আইন করে দিছে আত্মহত্যা মহাপাপ! কী বিশাল পরীক্ষার মধ্যে আমরা যাপন করি!

৩নং
ও পৃথিবী আমার বিশালত্ব ধারণ করার ক্ষমতা তোমার নাই।

৪নং
একদিন আমার ও সময় আসবে
আমিও অনেকটা বড় হব!
তোমার কল্পনার অনেকটা বাইরে!
তোমার অহংকারের চে আমার একটা কথার ওজন হবে
সাতমন বেশি ভারী তুমি সহ্য করতে পারবে না!
প্রিয়তমা তুমি আমার কথার ওজনে মাটিতে মিশে যাবে।
আমিও তোমার ফোন দেখে রিসিভারে ৩ বারে হাত নেবো না।

৫নং
আমার মনে পরলে হাসি পায় যে, আমি মইরা যাওয়ার কিছুকাল পর আমারে যে ভালোবাসে সেই মা ও আর কাঁদবে না! অথচ কবরে আমি তাঁরে একনজর দেখার জন্য কত হাপিত্তেস করমু!

৬নং
প্রত্যেকটা ভালোবাসায় স্বার্থ নিহিত! সেটা মায়ের ভালোবাসা হলেও।

৭নং
বিলিয়ন বৎসর আগের মৃত আত্মারা সেই জীবিত হয়েছে কবে
নীল আকাশে তাদের অস্তিত্ব দেখা যায়

৮নং
ও ভার্চুয়াল রিয়েলিটি! আও তোমারে ধইররা কতকুন হোগামারি!

৯ নং
Everyday I kill my sperm!
My future childrens Curesed me constantly.

১০ নং
কী আশ্চর্য! আমার অধিকার, আমার ক্ষিধা, আমার তৃষ্ণা আমারেই লাশ বানায়!
ঝুলিয়ে রাখে বেওয়ারিশ লাশ করে রাস্তায় কিংবা ড্রেনে
ও ক্ষিধা তুমি নিজেও গুম হয়ে যাও!

১১ নং
আমাগো এইটারেও নাকি একটা লাইফ বলে?
আমাগো লাইফটা আমরা দুচি
হা হা হা!

১২ নং
সাইডে যা মাদারচোদ!
-বাণীতে রিক্সাঅলা

১৩ নং
প্রতিক্ষারত আমি একদিন কেঁদেছিলাম বিষন্ন সন্ধ্যায়। নাহ আমার আর ভালো লাগে না পৃথিবী! একটা বয়োস আসার পর আমার রুহ এর বৈচিত্র্যতা এসেছে। আমার কেন যেন মনে হয় পৃথিবীতে আসা আমার বৃথাই ছিলো!

১৪ নং
প্রিয় এত্তবড় একটা পৃথিবীই তোমার সহ্য হয়, অথচ আমাকে তোমার অসহ্য হয়!

১৫ নং
আমাদের শরীর ঢাকা থাকে বিশাল একটা নগ্ন চাদরে।

১৬ নং
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সাথে সাথে আমাদের একটা দিন মাটি হয়ে যায়, ঘুমাতে যাওয়ার সাথে সাথে আমরা একটা স্বপ্নকে মাটি করে ফেলি!

১৭ নং
ইহুদীপুত্র মার্ক জুকারবার্গের ফেসবুকে আইসা শুনলাম থার্টিফাস্ট নাইট নাকি ইহুদী-খ্রীস্টানগো কালচার! মাবুদ উডাই নেও

১৮ নং
আমাদের চেয়ে আমাদের বাবা মা গরীব।

১৯ নং
তোমার চাহিদায় আমি থাকি;
অথচ আমার চাহিদায় চারদিকে ফাঁকা ঠেকি,
প্রিয়! তুমি এমনকি তোমার বাগানের ফুলেরাও এমন স্বার্থপর!

২০ নং
আমার কাছে তোমার কী শুধু দেহের চাহিদা’ই? ভালোবাসা আর হলো না! প্রিয় সঙ্গমই ভালোবাসা নয়।

২১ নং
আমাদের আত্মা সেই কবে মরে গেছে! দেহ নামক খোসাটাতে ভর করে চলি; চলার এখনো কত পথ বাকি!

২২ নং
কী আশ্চর্য আমরা যাদের জন্য কাঁদি তাঁরা আমাদের দুর্বল ভাবে!

২৩ নং
অনির্দিষ্ট কালের জন্য একটা পৃথিবী আমাদের ধর্ষন করে যাচ্ছে।

২৪ নং
কেন যেন আমাদের আর ভালো থাকা হয়না!
কী এক আশ্চর্য!

২৫ নং
মিথ্যা মানুষকে মুক্তি দেয় যদি না সত্য প্রকাশ হয়।
যে মিথ্যা প্রকাশ হয়না সে মিথ্যার ভিত মজবুত!

২৬ নং~
আত্মার সমান মানুষ নিকৃষ্ট বা অপবিত্র নয়।
বরংচ আত্মার চে মানুষটি পবিত্র।

শ্যুট দিজ ফাকার্স
যারে তুমি শত্রু ভাবো
যে তোমারে শত্রু ভাবে
যে তোমারে গোয়া মারে
যে তোমারে দাম দেয়না
যে তোমার বন্ধুত্বের মর্যাদারে গার্লফ্রেন্ড এর পায়ে ফ্যালে
যে তোমারে যন্ত্র ভাবে
যে তোমারে খাইয়া ছাড়ে
যে তোমারে গালি দ্যায়
যে তোমার মানসিক পেইনের অন্যতম কারণ
যে তোমার মা কে গালি দ্যায়
যে তোমার বাবার প্রফেশন নিয়া কথা বলে
যে বন্ধু আবাল ভাবে।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

w

Connecting to %s