বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের বেতন

-সজল আহমেদ

আমাদের প্লেয়ারগো বেতন নিয়া কি আফসুস মাইনষের!২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার বেতন আমাগো (A) ক্যাটেগরির প্রতিটা প্লেয়ারের। আর ইন্ডিয়ার ( A) ক্যাটেগরির প্লেয়াররা পায় ৪০-৫০ লক্ষ টাকা।এর চেয়ে আরো বেশি বেতন হইলো অস্ট্রেলিয়ান প্লেয়ারগো।তাগো (A) ক্যাটেগরির প্লেয়ারগো বেতন হইলো ১কুটি টাকা। তো এইসব নিয়া কত অস্থির আমাগো ভাই সাবরা “আহা আমাগো প্লেয়ারগো এত কম বেতন ক্যানো কা”?

ভাইসাব আমাগো প্লেয়াররা আড়াইলক্ষ টাকা পায়, একই দ্যাশে বসবাসকারী একটা অঞ্চলের ২৫% খাদ্যখানা যে পানিতে ডুইবা গ্যাছে সেই হিসাবটা আপনে করছেন নিকি?

এইযে আমি বেকার ঘরে বাপের অন্ন ধ্বংস করতেছি আমার একটা কর্মসংস্থানের কথা আপনে ভাবলেন না আফসুস!

Advertisements

“একজন রাজাকার সারাজীবনই রাজাকার,কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধা সারাজীবন মুক্তিযোদ্ধা নয়-এবং আসল সত্য

-সজল আহমেদ

“একজন রাজাকার সারাজীবনই রাজাকার,কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধা সারাজীবন মুক্তিযোদ্ধা নয়।

– হুমায়ুন আজাদ”

বাণী পইড়া মনে হইতেছিলো কোন সেক্টর কমান্ডারের বাণী পড়তাছি,কিন্তু পরে গিয়া দেখি কি, বাণী দাতা নিজেই যুদ্ধের সময় বাঁইচা থাইকাও যুদ্ধ করেন নাই।১৯৪৭ সালে জন্ম হইলে ৭১ এ সে আছিলো ২৪ বছরের তাগড়া জুয়ান লোক।তখন সে যুদ্ধ না কইরা ঘরে বইসা কি ছিড়ছিলো?

আমি ক্লাশ টেন এ পড়নের সময় ভাবতাম আজাদ সাব মনেকয় মুক্তিযোদ্ধা আছিলেন কিন্তু না যুদ্ধের সময় সে আছিলেন সুবিধাবাদী, ওনার চেতনা জাইগা উঠলো ৭১ এর পর।যুদ্ধের পর দু’একটা নিম্নমানের উপন্যাস টুপন্যাস আর কয়টা কবিতা লিখলেই কি আমাগো তরুণ প্রজন্মের কাছে তাঁর বাণী ওহীসম হইতে হবে নিকি?

যারা এই বাণী ওহীসম কইরা ওয়ালে টাঙ্গাইয়া রাখলেন তাঁরা মুক্তিযোদ্ধাগো অপমান করলো কি না?

মমতা নাই মমতার মনে

-সজল আহমেদ

‘মমতা নাই মমতার মনে’

বাংলাদেশ ভালবাসি

তবে বিনাযুদ্ধে নাহি দেবো সুচাগ্র মেদিনী

নাহি দেব বিনা যুদ্ধে তিস্তা-রো পানি

ইতি মমতাহীন মমতা ব্যানার্জী

“আজ মৃত্যুবার্ষিকী তোমার”

“আজ মৃত্যুবার্ষিকী তোমার”

-সজল আহমেদ

আজ এই দিনে তুমি মারা গিয়েছিলে,

১৩ টা বছর কাঁদি নিরবধি।

তোমার পরিবার আজ বিকাল অবধি তোমার শোকে হয়তো ৬৬টা মিসকিন খাওয়াবে,

না হয় মসজিদে গোল হয়ে বসে মিলাদ দিবে

ওরা বর্ষ ঘুরলেই তোমাকে মনে করে মিলাদ দেয়,

চোখে একফোটা জল দেখা যাবেনা কারো।

অথচ,তোমার নামের মিলাদ প্রতিনিয়ত দিয়েই চলেছি তোমার প্রয়াণকাল থেকে।

রবীন্দ্র সমালোচনা- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক কেন রবীন্দ্রনাথ কে বড় মানুষ ভাবতেন না?

লিখেছেন সজল আহমেদ

বাংলা সাহিত্যে পদার্পণ মানে আপনি ইতোমধ্যে রবীন্দ্রনাথ পাঠ করে ফেলেছেন। বঙ্গে রবীন্দ্রনাথ কে বাদ দিয়ে বাংলা সাহিত্য পাঠ মানে-লবনহীন তরকারী। কোন এক অদৃশ্য হাত বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ পাঠ বাধ্যগত করেছেন। সেই ছোটবেলায় শুরু জাতীয় সংগীত “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি” থেকেই আপনার আমার রবীন্দ্রনাথ পাঠ শুরু হয়েছে। এরপর “ব্যক্তিস্বাধীনতা” বোধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ইচ্ছা হোক আর অনিচ্ছা হোক রবীন্দ্রপাঠ বাধ্যতামূলক। প্রত্যেক শ্রেণীর পাঠ্য বইতে রবীন্দ্রনাথ থাকবেই। সরকার পাল্টালে শ্রেণী বিশেষ প্রবন্ধ-কবিতা পাল্টে যায়, কোন কোন পূর্ববঙ্গের লেখক ও হয়তো পাতা থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। রাজনৈতিক দাঁড়িপাল্লায় এক সময় অদৃশ্য হয়ে যাবে আল-মাহমুদ ও সোনার নোলক। ইতোমধ্যে ফররুখ আহমেদকে খুঁজে পাচ্ছিনে পাঠ্য বইতে। কিন্তু পাঠ্যবইতে রবীন্দ্রনাথ থেকেই যাবে, থাকতেই হবে থাকা চাই চাই। মাদ্রাসা শিক্ষাতেও রবীন্দ্রনাথ স্থান পেয়েছে শুনেছি। শুনে ভালোই লেগেছে। মাদ্রাসা ছাত্ররা স্যেকুলার হবে, মাদ্রাসা ছাত্ররা রবীন্দ্রনাথ জানবে রবীন্দ্রনাথ পড়বে।….বিস্তারিত পড়ুন→

দেবী দুবি প্রগতি

17352011_1847464072208099_1976559555002447601_n.jpg-picsay

দেবী দুবি প্রগতি

-সজল আহমেদ

পুনঃপুন ঈসরাফিলের চোঙ্গায়

প্যাঁপু ফুক মারে,

দুনিয়া তো ধ্বংসের পথে। Continue reading “দেবী দুবি প্রগতি”

বাঙ্গালী মুসলমানদের সংস্কৃতি বিরোধী দোষে দোষারোপকারীদের অবশ্যপাঠ্য

বাঙ্গালী মুসলমানদের সংস্কৃতি বিরোধী দোষে দোষারোপকারীদের অবশ্যপাঠ্য

-সজল আহমেদ

IMG_20161125_ggg111645-picsay

মঙ্গোল শোভাযাত্রা হবে এটা নিয়ে চুপই ছিলাম আমার চারুকলার বন্ধুদের খাতিরে।এই যে তাঁরা রাক্ষস-টাক্ষস নিয়ে লাফাবে সেটাও তাদের খাতিরে সাম্প্রদায়িকতা ধরিনি কিন্তু Continue reading “বাঙ্গালী মুসলমানদের সংস্কৃতি বিরোধী দোষে দোষারোপকারীদের অবশ্যপাঠ্য”